চলাচলের অনুপযোগী রাস্তা ভোগান্তিতে ক্রেতা-বিক্রেতারা

মির্জাপুরের দেওহাটা বাজার

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা

মির্জাপুর উপজেলার পৌরসভাসহ আট ইউনিয়নের ব্যবসাকেন্দ্র ঐতিহ্যবাহী দেওহাটা বাজারের হাট ও রাস্তাঘাটের খুবই করুণ অবস্থা। চলাচলের ক্ষেত্রে এই বাজারের ব্যবসায়ী এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভোগান্তির শেষ নেই। কাদা-পানিতে জলাবদ্ধতা হয়ে রাস্তাঘাট চলাচলের একেবারে অনুপযোগী। দেওহাটা বাজারের কাঠ ব্যবসায়ী ও হাটের ইজারাদার মো. কামরুজ্জামান (জামান মেম্বার) জানান, মির্জাপুর পৌরসভা ও ১৪ ইউনিয়নের মধ্যে ২০০ বছরের পুরোনো দেওহাটা হাট ও বাজার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন হওয়ায় প্রতিদিন হাজার হাজার ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগম হয়। এখানে সাপ্তাহিক একটি গরুর হাট বসে। এছাড়া বসে নিয়মিত কাঠের হাট। হাটের পাশেই রয়েছে পৌরসভা ও গোড়াই ইউনিয়ন দুটি ভূমি অফিস, ১০ নম্বর গোড়াই ইউনিয়ন পরিষদ, একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি পুলিশ ফাঁড়ি, বেশ কয়েকটি মসজিদ-মাদ্রাসা এবং ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক। কাঠবাজার, মাছবাজার, গরুর হাট, ভূমি অফিস রোড, ইউনিয়ন পরিষদ রোড সারা বছর কাদা-পানিতে জলাবদ্ধতায় চলাচল অনুপযোগী থাকে। রাস্তার উন্নয়ন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় রাস্তা দিয়ে যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, পানি জমে থাকায় সাধারণ মানুষের হাঁটা-চলাই দুষ্কর। একটু বৃষ্টি হলেই কাঠের বাজার ও গরুর হাট পানিতে তলিয়ে যায়। একই অভিযোগ করেছেন সমিল শ্রমিকের সদস্য মো. ইয়াকুব আলী, শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি মো. সুলতান উদ্দিনসহ একাধিক ব্যক্তি।  এ ব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল মালেক মোস্তাকিম বলেন, দেওহাটা হাট ও বাজারটি পুরোনো এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় হাটের রাস্তাঘাট চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। রাস্তাঘাট দ্রুত উন্নয়নের জন্য প্রশাসন থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।