মা হ মু দু ল আ মি ন
হালের শ্রোতাপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ফাতিমা তুয যাহরা ঐশী। খুব ছোটবেলায় যখন নোয়াখালীতে ওস্তাদ হাফিজ উদ্দিন বাহারের কাছে উচ্চাঙ্গ সংগীত, নজরুল সংগীত এবং মো. শরীফের কাছে অন্যান্য গানে তালিম নিতেন তখন থেকেই ঐশীর সুরেলা কণ্ঠ সম্পর্কে আশেপাশের সবাই বেশ অবগত ছিলেন। সুরেলা কণ্ঠের ঐশী তার নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘ঐশী এক্সপ্রেস’-এ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় নিজের লেখা ও সুর করা গান ‘জন্মদিন বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন’ নতুন করে শাহরিয়ার আলম মার্সেলের সংগীতায়োজনে গেয়ে প্রকাশ করেছেন। ঐশীর ভাষ্য— জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে জন্মদিনের যতগুলো গান আছে সবগুলোর মধ্যে তার গানটিও একটি সেরা গান, যা শ্রোতা-দর্শকের ভালোবাসায় পরিণত হয়েছে। যদিও-বা শ্রোতা-দর্শক ঐশীকে ফোক গানে বেশি পেয়েছেন। কিন্তু এবারই প্রথম ঐশীকে শ্রোতা-দর্শক একেবারেই ঘরোয়া আয়োজনের মধ্যদিয়ে তার কণ্ঠে নজরুল সংগীত শুনেছেন। কাজী নজরুল ইসলামের লেখা এবং নিজের সুর করা ‘কথা কও, কও কথা’ গানটি গেয়ে গত ১ জুলাই রাতে তার নিজের ফেসবুক পেজ ‘ঐশী’-তে প্রকাশ করেছেন। গানটি প্রকাশের পর থেকেই ঐশী গানটির জন্য বেশ সাড়া পাচ্ছেন। মূলত এই গানটি গেয়েছিলেন সন্তোষ সেনগুপ্ত। ১৯৪০ সালে এটি বেতারে ‘গীতিচিত্র অতনুর দেশে’ অনুষ্ঠানে প্রচার হয়েছিল। গানটি প্রসঙ্গে ঐশী বলেন, লকডাউনের এই দিনগুলোতে আমি ইন্দিরাগান্ধী কালচারাল সেন্টার আয়োজিত নজরুল সংগীতের একটি কোর্সে অংশগ্রহণ করি অনলাইনে। শ্রদ্ধেয় সুজিত মুস্তফা স্যারের কাছেই আমি ‘কথা কও, কও কথা’ গানটি শিখেছি। তার কাছ থেকেই অনুপ্রাণিত হয়েই গানটি গেয়েছি আমি।