শরীয়তপুর সদর ও নড়িয়া উপজেলায় কীর্তিনাশা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাঙন শুরু হয়েছে। সদর উপজেলার ছয়টি ও নড়িয়া উপজেলার দুটি স্থানে ভাঙন দেখা দেওয়ায় নদীর তীরবর্তী গ্রাম ও সড়ক ঝুঁকিতে রয়েছে। শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানায়, এ বছর জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে নদীতে পানি বাড়ায় নতুন করে ভাঙন শুরু হয়। সদর উপজেলার দাদপুর, আড়িগাঁও, চরস্বর্ণঘোষ, তেঁতুলিয়া, রাজগঞ্জ, কোটাপার, নড়িয়া উপজেলার চান্দনি ও জপসা এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে।
সদর উপজেলার চরস্বর্ণঘোষ এলাকার আবুল হোসেন বলেন, এ বছর পুরো বাড়িটাই নদী গ্রাস করেছে। নড়িয়ার চান্দনি গ্রামের দেলোয়ার হোসেন বলেন, গত দুই বছর যাবত্ কীর্তিনাশার ভয়াবহতা ফুটে উঠছে। ঝুঁকি নিয়ে বসতবাড়িতে থাকছেন। শরীয়তপুর পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব বলেন, কীর্তিনাশার কয়েকটি স্থানে ভাঙন রয়েছে। গত বছর কিছু ইমারজেন্সি ওয়ার্ক করেছিলাম। ভাঙন রোধের জন্য একটি প্রকল্প প্রস্তাব প্রস্তুত করা হয়েছে। শিগিগরই সেটা অনুমোদন হবে। শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেন, কীর্তিনাশা নদীর নড়িয়া ও সদর উপজেলার কিছু স্থানে ভাঙন রয়েছে। ঐ স্থানগুলোর জন্য একটি প্রকল্প অনুমোদনের কাজ চলছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যেই প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।