ভাঙ্গুড়া উপজেলায় পশুর হাটে গরু-ছাগলের পর্যাপ্ত আমদানি থাকলেও ক্রেতার সংখ্যা ছিল কম। ফলে পশুর দামও পড়ে যায়। খামারিরা জানান, একদিকে করোনা পরিস্থিতিতে ক্রেতা কম, অন্যদিকে বন্যার কারণে পশু সংরক্ষণে তীব্র সমস্যা তৈরি হয়েছে। এছাড়া পশুখাদ্যেরও সংকট সৃষ্টি হয়েছে। তাই খামারিরা বাধ্য হয়েই তাদের গরু-ছাগল বিক্রির জন্য হাটে তুলছেন। ভাঙ্গুড়া উপজেলা পশু সম্পদ কর্মকর্তা ডা. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, অন্যান্য বছর উদ্বৃত্ত গরু ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যেত, কিন্তু এবার বাইরের ব্যাপারীরা না আসায় খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।