চকরিয়ায় ভাতিজাসহ কাউন্সিলরকে কুপিয়ে জখম, আটক ১

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। তাকে রক্ষা করতে গিয়ে জখমের শিকার হয়েছেন কাউন্সিলরের এক ভাতিজা শুক্রবার জুমার নামাজের পরপরই ওয়ার্ডের হালকাকারা গ্রামে এ  ঘটনা ঘটে। পৌরসভার চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের দুই নম্বর ওয়ার্ডের ড্রেনের কাজ চলাকালীন অতর্কিত এ সশস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আহত ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও পৌরসভা আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল করিমের (৩৫)।

হামলায় কাউন্সিলর রেজাউলের ডান হাত অনেকটা বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো অবস্থা হয়েছে। এ সময় রেজাউলকে বাঁচাতে গেলে ধারালো কিরিচের কোপে গুরুতর আহত হন
ভাইয়ের ছেলে সাইদুল হক মিঠু (২৫)। 

গুরুতর আহত কাউন্সিলর রেজাউলকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্স যোগে তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত মিঠুকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে, অতর্কিত হামলার ঘটনার পরপরই ক্ষুদ্ধ জনতা কফিল উদ্দিন বাহাদুর নামের একজনকে আটক করে পুলিশের সোপর্দ করেছেন।

কফিল বিএনপির সহযোগী সংগঠন শ্রমিকদলের একই ওয়ার্ডের দায়িত্বশীল নেতা এবং হালকাকারা গ্রামের মো. বাদশা প্রকাশ টেক বাদশার ছেলে।

চকরিয়া থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান জানান, কাউন্সিলর রেজাউলের ওপর হামলার ঘটনায় নেতৃত্ব দেয়া শ্রমিকদল নেতা কফিল উদ্দিন বাহাদুরকে স্থানীয় জনতার সহায়তায় আটক করা হয়েছে। আরো যারা জড়িত রয়েছে তাদেরকেও আটকের চেষ্টা চলছে।

পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, পৌরসভার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে দুই নম্বর ওয়ার্ডেও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ চলমান রয়েছে। সেই কাজ উপস্থিত থেকে দেখভাল করছিলেন কাউন্সিলর রেজাউল। কিন্তু সেই উন্নয়ন কাজে বাঁধা দেন শ্রমিকদল নেতা কফিলের নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত। এতে কাউন্সিলর রেজাউলের ডান হাত অনেকটা বিচ্ছিন্ন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। আহত হয়েছে তার ভাইয়ের ছেলে মিঠু। 

ইত্তেফাক/কেকে