বরিশাল অফিস
এবার করোনা ভাইরাসের প্রভাবে ঈদুল আজহায় বরিশাল জেলা ও মহানগরীতে কোরবানির পশুর হাটের সংখ্যা অর্ধেকে নেমে এসেছে। এবার নগরীর স্থায়ী দুটিসহ জেলায় মোট ৩৭টি স্থায়ী কোরবানির পশুর হাট বসবে। প্রতি বছর স্থায়ী হাট ছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় কোরবানি উপলক্ষ্যে অস্থায়ী পশুর হাট বসলেও করোনার কারণে প্রশাসনের কঠোর বিধি আরোপ এবং উদ্যোক্তাদের আগ্রহ না থাকায় অস্থায়ী হাটগুলো বসছে না। শুধু স্থায়ী হাটগুলোতেই কোরবানির পশু কেনাবেচা করা যাবে। ২৫ জুলাই থেকে বরিশাল নগরীতে কোরবানির পশুর হাটে কেনাবেচা শুরু হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) হাটবাজার শাখার পরিদর্শক মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, নগরীতে স্থায়ী পশুর হাট আছে দুটি। স্থায়ী হাট দুটি হলো বাঘিয়া ও হাটখোলা কসাইখানা। প্রতি বছর ঈদুল আজহায় স্থায়ী পশুর হাট ছাড়া একাধিক অস্থায়ী হাটের অনুমোদন দিত বিসিসি। গত বছরও নগরীতে অস্থায়ীভাবে চারটি হাট বসেছিল। এবার গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অস্থায়ী হাটের অনুমোদনের জন্য বিসিসিতে কেউ আবেদন করেনি। তবে ঈদুল আজহার পাঁচ দিন আগে দুটি স্থায়ী হাটে পশু বেচাকেনা শুরু হবে। বিসিসির হাটবাজার পরিদর্শক বলেন, তার আগে অস্থায়ী হাটের আবেদন পাওয়া গেলে অনুমোদনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করবে। করোনা ভাইরাসের কারণে স্থায়ী দুটি পশুর হাট ইজারা দিতে না পারায় বিসিসি সরাসরি হাট দুটি পরিচালনা করবে বলে জানিয়েছেন এ পরিদর্শক। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর বরিশাল জেলার ১০ উপজেলায় ঈদুল আজহায় পশুর হাট বসবে ৩৫টি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৬৬টি। এবার জেলার প্রতি উপজেলার স্থায়ী হাটগুলোতেই শুধু ঈদুল আজহায় পশুর হাট বসানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান জানান, এ বছর ঈদুল আজহায় পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যে কারণে বিগত সময়ের চেয়ে এবার কমসংখ্যক পশুর হাট বসবে। সব কটি হাটে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার জন্য উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।