করোনার উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আরো ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
কুমিল্লা প্রতিনিধি জানান, কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনার উপসর্গ নিয়ে এক নারীসহ তিন জন মারা গেছেন। মৃতরা হলেন, কুমিল্লার শুভরামপুর এলাকার শামছুজ্জামান (৫০), মুরাদনগর উপজেলার জসিম উদ্দিন (৫৯) ও কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজ এলাকার মমতাজ বেগম (৫৩)। হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডা. মোয়াজ্জেম গতকাল শুক্রবার এই তথ্য জানান।
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জানান, করোনা উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে গতকাল তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ব্যক্তিরা হলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদহা গ্রামের কৃষক বেলাল হোসেন (৫৫), শহরের পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকার বাসিন্দা অগ্রণী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত ম্যানেজার গোলাম ইছাহাক (৯০) ও শহরের মুন্সীপাড়ার ইব্রাহীম হোসেন (৬০)। এ নিয়ে সাতক্ষীরায় করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন মোট ৩২ জন।
কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা জানান, নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে আরাধন বর্মণ নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি কেন্দুয়া উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের সাহিতপুর গ্রামে।
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি জানান, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি, চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি আসাদুল হোসেন জোয়ার্দ্দার লেমন (৬৮) করোনা উপসর্গ নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে মারা গেছেন। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. শামীম কবির জানান, আসাদুল হোসেন জোয়ার্দ্দার সর্দি, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হোন। করোনা উপসর্গ থাকায় তাকে আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়া হয় ও নমুনা সংগ্রহ করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। জানা গেছে, ঢাকায় নেওয়ার পথেই তিনি মারা যান।
নওগাঁয় উপসর্গ নিয়ে নওগাঁর মান্দা উপজেলার ভারশো ইউনিয়নের চৌবাড়িয়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা ওসমান গণী (৭২) ও নিয়ামতপুর উপজেলা সদরের বাসিন্দা কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক আব্বাস আলী (৭৬) মারা গেছেন।