উত্তরবঙ্গের বৃহৎ কাহারোল গরুর হাট জমে উঠেনি

উত্তরবঙ্গের সর্ব বৃহৎ দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার কাহারোল গরুর হাট। কাহারোলে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের বড় ঝুঁকি নিয়ে শনিবার বসেছে গরুর হাট। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা গরু ক্রয় করার জন্য কাহারোল হাটে আসে।

শনিবার বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু বিক্রেতা ও খামারিরা কাহারোল হাটে গরু নিয়ে আসে। হাটে গরুর দাম কম থাকায় অনেকেই গরু বিক্রি না করে ফেরত নিয়ে গেছে।

খামারি ও ব্যবসায়ীরা জানান, গতবারের তুলনায় এবার গরুর দাম অনেক কম। আগের মত দূর দূরান্ত হতে গরু ক্রেতারা আসছে না এ হাটে। শনিবার কাহারোল হাটে প্রাণী সম্পদ অফিসের কোন লোকজনকে দেখা যায়নি।

এ ব্যাপারে প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা দিদারুল আহসান এর সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, লোকজন কম থাকায় হাটে সীমিত সংখ্যক প্রাণী সম্পদ বিভাগের লোকজন ছিল। অনেক ব্যবসায়ীরা বলেছেন করোনা ভাইরাসের কারণে ক্রেতারা হাটে আসতে সাহস পাচ্ছে না।

গরু ব্যবসায়ী আজম জানান, তিনি ৪টি গরু ক্রয় করে হাটে নিয়ে এসেছিলেন। ৩টি গরুর বিক্রি করেছেন ও ১টি ফেরত নিয়ে যাচ্ছেন। ৩টি গরুতে ৬ হাজার টাকা লোকসান করে বিক্রি করতে হয়েছে।

শনিবার লক্ষ্য করা গেছে, কাহারোল গরুর হাট সহ অন্যান্য হাট বাজার গুলোতে সামাজিক দূরত্ব রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের তদারকিও থেমে গেছে। আবার হাট বাজার গুলোতে ক্রেতা ও বিক্রেতারা মাস্ক পড়ার ক্ষেত্রে অনেকটাই উদাসিন।

কাহারোল হাট ঘুরে দেখা গেছে গরুর হাটে, সবজি বাজার সহ বিভিন্ন দোকানে অনেক বিক্রেতা ও ক্রেতার মুখে মাস্ক নেই অথচ সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বাইরে চলাচল করার সময় মাস্কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক। গরুর হাটে লোকে-লোকারণ্য দুই এক জন বাদে অনেকেরই মুখে মাস্ক দেখা যায় নাই। যদিও হাট ইজারাদার মাইকিং এর মাধ্যমে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে হাট বসার কথা বলছে কিন্তু ইজারাদার মোটেই গরু হাটে কোন রকম সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি মানার ব্যবস্থা করেন নাই। শুধু মাইকিং এ সীমাবদ্ধতা কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়নি। কাহারোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার করোনায় আক্রান্ত থাকার কারণে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

ইত্তেফাক/এমআরএম