চট্টগ্রাম বাঁশখালী উপজেলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ৮টি প্যাথলজি সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। প্যাথলজি গুলোতে ল্যাব টেকনিশিয়ান, পরিবেশ ছাড়পত্র, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ট্রেড লাইসেন্স, আণবিক শক্তি কমিশনের অনুমতি পত্র ও ফায়ার সার্ভিসসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ৮টি নির্দেশনা না থাকায় এই অভিযান চলে।
সোমবার (২০জুলাই) বাঁশখালী হাসপাতালে পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার শফিউর রহমান মজুমদার নেতৃত্বে একদল স্বাস্থ্য কর্মী ৩ ঘণ্টা ব্যাপী এই অভিযান পরিচালনা করেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দেশের বিভিন্ন স্থানের ন্যায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বাঁশখালী উপজেলা সদর জলদী, পুকুরিয়া চৌহমুনী, কালীপুর ইউনিয়নের গুনাগরী, চাম্বল ইউনিয়নের চাম্বল বাজার, বৈলছড়ি ইউনিয়নের বৈলছড়ি বাজারে অন্তত ৩০টি সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে প্যাথলজি সেন্টার চালু করে।
দীর্ঘদিন থেকে এই প্যাথলজি সেন্টার গুলোতে রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিয়ে রমরমা ব্যবসা চলে আসছিল। সরকারের পক্ষ থেকে তদন্তের নির্দেশ আসার পর এই অভিযান চলে। অভিযানকারী (ল্যাব) প্যাথলজি সেন্টার গুলো হলো, মিনি ল্যাব, ইউনিক ডায়াগনোস্টিক সেন্টার, মর্ডান ল্যাব, সিটি ল্যাব, মাতৃসদন হাসপাতাল, জলদী আধুনিক হাসপাতাল, মা-মনি ল্যাব, অভিযান চলাকালীন সময়ে মডেল ল্যাব ও মিনি ল্যাব তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল।
বাঁশখালী হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাক্তার শফিউর রহমান মজুমদার বলেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যে সরকারি কাগজপত্রসহ ল্যাব মালিকদেরকে যাবতীয় ডকুমেন্ট সরবরাহ করে হাসপাতালে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নতুবা ল্যাব বন্ধ করে দেওয়া হবে। ল্যাবের মালিকরা তা মেনে নিয়েছে। বি.এম.ডি.সির সনদ ছাড়া ডাক্তারগণ রোগীদের চিকিৎসা দিতে পারবে না। ১০ কর্ম দিবস পর পর প্যাথলজিগুলোতে অভিযান চলবে।
ইত্তেফাক/এসআই