রেললাইনে শ্যালো ইঞ্জিনের ট্রলি!

রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ী রেলওয়েতে শ্যালো মেশিনের ইঞ্জিন দিয়ে মোটর ট্রলি ব্যবহার করা হয়েছে। এ ট্রলি দিয়ে পরিদর্শনে যাওয়ার প্রথম দিনেই ট্রলিটির চাকা খুলে দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে মারাত্মক আহত হয়েছেন রেলওয়ের ট্রলিম্যান মো. হারুন খান। রাজবাড়ী রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, রেলওয়ের দুই কর্মকর্তা মিলে শ্যালো ইঞ্জিন দিয়ে মোটর ট্রলি তৈরি করেন। রেলওয়ের সহকারী নির্বাহী অফিসার গৌতম বিশ্বাস ও সিনিয়র সাব-অ্যাসিস্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার (পিডাব্লউআই) জিহাদ হোসেন চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে সদর উপজেলার গোয়ালন্দ মোড়ের আকমল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপে এ ট্রলিটি তৈরি করেন। পরে গত ১৫ জুলাই রাতে ট্রলিটি ওয়ার্কশপ থেকে রাজবাড়ী রেলওয়ে স্টেশনে আনা হয়। পরদিন সকালে ট্রলি নিয়ে রাজবাড়ী হতে মধুখালী কাজ পরিদর্শনে রওনা হোন সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী গৌতম বিশ্বাস। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সিনিয়র সাব-অ্যাসিস্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার জিহাদ হোসেন, কুষ্টিয়া রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (কার্য) হাফিজুল ইসলাম, রাজবাড়ী রেলওয়ের ভারপ্রাপ্ত হেড মেট পরিমল অধিকারী, ট্রলিম্যান মো. হারুন খানসহ আরো কয়েকজন। পথে বহরপুর রেলগেট পাড় হওয়ার পর ট্রলিটির একটি চাকা খুলে দুর্ঘটনার শিকার হয়। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, রেলওয়ের আইন অনুযায়ী বিভাগীয় অফিসার ছাড়া অন্য কোনো অফিসার ইঞ্জিনচালিত মোটর ট্রলি ব্যবহার করতে পারবেন না।  আকমল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মালিক আকমল হোসেন জানান, গত কয়েকদিন আগে তারা একটি শ্যালো ইঞ্জিন দিয়ে ট্রলি তৈরি করতে দিলে ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে ট্রলিটি তৈরি করে দেই।  এ বিষয়ে রাজবাড়ী রেলওয়ের এইএন গৌতম বিশ্বাস জানান, তিনি ২৬ হাজার টাকা ব্যায়ে ট্রলিটি তৈরি করেছেন এবং ট্রলির মূল্যও তারা কয়েকজন ব্যক্তিগতভাবে পরিশোধ করেন।