দুশ্চিন্তায় বিক্রেতারা
পাবনা প্রতিনিধি
পাবনায় কোরবানির পশুর ব্যাপক আমদানি হলেও পর্যাপ্ত ক্রেতা না থাকায় এখনো জমে ওঠেনি হাটগুলো। এদিকে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বন্যা দেখা দেওয়ায় পশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন গরু পালনকারীরা। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে গোখাদ্যের সংকট। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন মণ্ডল বুধবার জানান, কোরবানি ঈদ ঘিরে পাবনা জেলায় ২ লাখ ৪০ হাজার কোরবানি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। এবারে জেলায় ২৬টি হাটে পশু ক্রয়-বিক্রয় হবে। প্রত্যেকটি হাটে ভেটেনারি মেডিক্যাল টিম থাকবে। সুস্থ পশু ক্রয়ে ক্রেতাদের উদ্বুদ্ধ করা হবে। ঢাকার ব্যাপারী রইচ খাঁ জানান, এখনো পুরোদমে কোরবানি পশুর হাট শুরু হয়নি। তবে অল্পসংখ্যক গরু কিনে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। ঢাকার কোরবানির পশুর হাট শুরু হলে এ হাটগুলোতে আরো ভিড় বাড়বে। কাশিনাথপুর হাটের বাদশা মিয়া বলেন, কোনো ক্রেতা বাড়িতে না যাওয়ায় হাটে এনেছি। কিন্তু লোকই নেই, গরুর দাম বলবে কে?
কামারখন্দে হাটে ক্রেতা কম
কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, কামারখন্দের পশুর হাটগুলোতে বাড়ছে পশুর আমদানি। তবে ক্রেতার সংখ্যা খুবই কম। মঙ্গলবার বিকালে কামারখন্দ হাট ঘুরে দেখা যায়, পশু বিক্রি করতে না পেরে হতাশা আর দুশ্চিন্তা নিয়ে পশুগুলো বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যান খামারিরা। উপজেলার জামতৈল গ্রামের গরু খামারি শেখ সোহেল আহম্মেদ জানান, এবছর করোনার কারণে দূর-দূরান্তের কোনো ব্যাপারীদের দেখা না পাওয়ায় খুব দুশ্চিন্তায় আছি। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল হাই জানান, উপজেলার বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা যায় আমদানির তুলনায় ক্রেতা কম।
রংপুরে দুশ্চিন্তায় খামারিরা
রংপুর স্টাফ রির্পোটার জানান, কোরবানির ঈদে গবাদি পশুর প্রত্যাশিত দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারিরা। খামারিদের লোকসান ঠেকাতে অনলাইনে পশু বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগ। মিঠাপুকুরে বলদিপুরের জাহাঙ্গীর আলম বলেন, করোনার এ পরিস্থিতিতে গরু মূল্য নিয়ে চিন্তায় রয়েছি। রংপুর বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. হাবিবুল হক সাংবাদিকদের জানান, চলতি বন্যা ও লাম্পিং ডিজিজের প্রভাব পড়বে না কোরবানির পশুতে। পশু মজুত আছে ৭ লাখ ৭২ হাজার ৮৮১টি।
আগৈলঝাড়ায় বসছে তিনটি পশুর হাট
আগৈলঝাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা জানান, আগৈলঝাড়ায় এ বছরও ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে বসছে তিনটি অস্থায়ী পশুর হাট। থানার ওসি মো. আফজাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হাটের ইজারাদাররা জানান, চাহিদানুযায়ী এ বছর কোরবানির জন্য এলাকায় পর্যাপ্ত পশু মজুত রয়েছে। তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী দাম পাওয়া নিয়ে খামারিদের সঙ্গে তারাও সংশয় প্রকাশ করেছেন।