বাঁশখালীর পুঁইছড়ি-ছনুয়া ইউনিয়নসহ কুতুবদিয়া উপজেলার জনসাধারণের যাতায়াতে ব্যবহূত এলজিইডির সড়কটি ভারী বর্ষণে যেন পুকুরে রূপান্তরিত হয়েছে। প্রতিদিন পথচারীরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। জানা গেছে, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে ৭০ মিটার লম্বা এইচবি ডালাই এবং ১ কিলোমিটার কার্পেটিং করা হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতে সড়ক বেহাল হয়ে পড়ে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের অধিকাংশ স্থানে বিশাল বিশাল গর্ত ও পানি জমে আছে। প্রেমবাজারের পশ্চিম পার্শ্বে সড়কের দুই পাশে অসংখ্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, তাই রাস্তার ওপর জমে থাকা পানিতে বিশাল বিশাল গর্ত সৃষ্টি হয়। সবচেয়ে বেশি গর্ত মছুদা খাতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে। এখানে গত কয়েকদিনে প্রায় ১০/১৫টির মতো দুর্ঘটনা হয়েছে বলে সিএনজি চালক ও রিকশা চালকরা জানান। এ ব্যাপারে ছনুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. হারুনুর রশিদ জানান, উপজেলা সদরের সঙ্গে ছনুয়া ও কুতুবদিয়ার জনগণের যাতায়াতের অন্যতম সড়ক এটি। কিন্তু গর্তে পরিণত হওয়ায় এলাকাবাসীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। আমি আগামী উপজেলা পরিষদের মিটিংয়ে বিষয়টি উত্থাপন করব। পুঁইছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুলতানুল গনি চৌধুরী লেদু মিয়া জানান, এই বেহাল সড়কের ব্যাপারে আমি প্রশাসনের কাছে বিভিন্ন দপ্তরে বেশ কয়েকটি আবেদন দিয়েছি। বরাদ্দ না আসায় বাধ্য হয়ে ছোটোখাটো গর্তগুলো ভরাট করার জন্য পরিষদের ১ শতাংশ বরাদ্দ থেকে কাজ শুরু করেছেন বলে তিনি জানান।
বাঁশখালী উপজেলা প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম ভুঁইয়া জানান, তিনটি টেন্ডারের মাধ্যমে গত ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে প্রায় ৯৯ লাখ টাকা ব্যয়ে কাজ সম্পাদন করা হয়। যেখানে-সেখানে করাত কলের বড় বড় কাঠ টানা-হেঁচড়া করে রাস্তাটি নষ্ট হয়ে গেছে।