এক মাসের ব্যবধানে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম। সব মানের স্বর্ণ প্রতি ভরিতে ২ হাজার ৯১৬ টাকা করে বাড়ছে। করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যেই অলংকার তৈরির এই ধাতুর দাম আকাশচুম্বী হয়ে গেছে। এর আগে কখনো এত বেশি দাম হয়নি। কোনো গ্রাহক যদি সবচেয়ে ভালো মানের, অর্থাত্ ২২ ক্যারেটের এক ভরি ওজনের স্বর্ণের গহনা কিনতে যায়, তাকে প্রায় ৭৩ হাজার টাকা ব্যয় করতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার কারণে দেশের বাজারেও দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
সমিতির সভাপতি দিলীপ কুমার আগারওয়ালা ইত্তেফাককে বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে সবাই আতঙ্কে আছে। ভবিষ্যতে কী হবে কেউ জানে না। ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দা, শেয়ারবাজারে ধস—এমন পরিস্থিতিতে নিরাপদ বিনিয়োগের জায়গাও নেই। স্বর্ণকেই একমাত্র ভরসা মনে করছেন সবাই। এ কারণে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। তিনি বলেন, এত বেশি দাম কখনো হয়নি। বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্যতালিকায় দেখা গেছে, সবচেয়ে ভালো মানের, অর্থাত্ ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) বিক্রি হবে ৭২ হাজার ৭৮৩ টাকা দরে। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এ মানের স্বর্ণের ভরিপ্রতি বিক্রয়মূল্য ছিল ৬৯ হাজার ৮৬৭ টাকা। অর্থাত্ এই মানেরসহ সব মানের স্বর্ণে প্রতি ভরিতে বাড়ছে ২ হাজার ৯১৬ টাকা।
পরবর্তী দাম নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ভরিপ্রতি বিক্রি হবে ৬৯ হাজার ৬৩৪ টাকা দরে। এই মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের বিক্রয়মূল্য ছিল ৬৬ হাজার ৭১৮ টাকা। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ভরিপ্রতি বিক্রি হবে ৬০ হাজার ৮৮৬ টাকায়। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই মানের স্বর্ণের ভরিপ্রতি দাম ছিল ৫৭ হাজার ৯৭০ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও ভরিপ্রতি ৫০ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে। এই মানের স্বর্ণ ভরিপ্রতি বিক্রি হবে ৫০ হাজার ৫৬৩ টাকায়। গতকাল পর্যন্ত এই মানের স্বর্ণের দাম ছিল ৪৭ হাজার ৫৮৯ টাকা ভরি। এদিকে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২১ ক্যাডমিয়ামের প্রতি ভরি রুপার বিক্রয়মূল্য ৯৩৩ টাকা।