নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) আব্দুল হাইকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন ১৩ নার্সিং কলেজের শিক্ষকেরা। তারা বলেন, তাকে সরিয়ে নার্সদের মধ্য থেকে এই পদে নিয়োগ দিতে হবে। নইলে নার্সিং কলেজগুলোর শিক্ষকেরা সারাদেশে আন্দোলনে যাবেন। তাকে না সরালে নার্সিং কলেজগুলোর নারী শিক্ষকেরা গণ-আত্মহত্যার পথ বেছে নেবেন বলে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নিয়োগবিধির বাইরে গিয়ে নার্সিং কলেজগুলোতে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের যে চেষ্টা চলছে, তা বাতিল করার দাবি জানিয়ে তারা বলেন, শিক্ষকেরা ছাত্রদের সঙ্গে পরীক্ষা দেবেন কীভাবে?
আবদুল হাই একসঙ্গে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। তার বিরুদ্ধে নারীদের উত্ত্যক্ত ও অসম্মান করার অভিযোগ আছে। সম্প্রতি তার পরামর্শে নিয়োগবিধির বাইরে গিয়ে নার্সিং কলেজগুলোতে শিক্ষক নিয়োগের পাঁয়তারা চলছে। এ ব্যাপারে প্রতিবাদ করতে গতকাল বৃহস্পতিবার নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরে যান ১৩ নার্সিং কলেজের শিক্ষক প্রতিনিধিরা। তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী নার্সিং সেক্টর এগিয়ে নেওয়ার কথা বলেন। কিন্তু তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন আব্দুল হাই। অথচ নার্সিং কলেজের নিয়োগবিধিতে আছে, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ৭৫ ভাগ পদোন্নতির মাধ্যমে হতে হবে। বাকি ২৫ ভাগ সরাসরি নিয়োগ হবে। এছাড়া বিভাগীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়স শিথিলযোগ্য। কিন্তু এসব নিয়ম মানা হচ্ছে না। এ কারণে শিক্ষক প্রতিনিধিরা নার্সিং অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) পদে আমলা আর দেখতে চান না।