কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম ফুলমতি বারোমাসিয়া নদীর (ঈন্দুর ঘাটে) ওপরের বাঁশের সাঁকো ভেঙে দুর্ভোগে দশটি গ্রামের হাজারও মানুষ। যুগের পর যুগ পার করা এই বাঁশের সাঁকোই ছিল গ্রামগুলোর মানুষের উপজেলা শহরের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র অবলম্বন। গেলো আম্ফান ঝড়ে সাঁকোটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়লে নৌকায় করে দিনেরাতে পারাপার হচ্ছেন মানুষজন।
উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত শিমুলবাড়ী, চর-গোরকমন্ডল, পশ্চিম ফুলমতি, কান্দাপাড়া, ঝাউকুটিসহ দশটি গ্রাম ছাড়াও আনন্দবাজার, হক বাজার, বিয়ানীর বাজারের হাজারও মানুষ ঝুঁিক নিয়ে একশ ফুট লম্বা এই বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করছিলেন।
স্থানীয় শহিদুল ইসলাম, ওসমানগণি ও পরিমল চন্দ্র রায় সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে বলেন, গত দুই থেকে আড়াই মাস ধরে কোনো রকমেই একটা নৌকার ব্যবস্থা করে ইউনিয়ন পরিষদ। সেই নৌকা দিয়ে পাড়াপাড় করছি। নদীর স্রোত ও পানি বেশি তাই নৌকায় পাড়াপাড় করতে ভয় লাগে।
আরও পড়ুন: জেলা থেকে ছাড়া পেয়েই মাদক কারবারি তাণ্ডব
নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুসাব্বের আলী মুসা বলেন, স্থানীয়দের সহযোগীতায় নদীর পানি কমলে নতুন করে বাঁশের সাকো নির্মাণ করা হবে। এখানে একটি ব্রিজের জন্য অনেক দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে কোন লাভ হয় নাই। তারা শুধুই আশ্বাস দিয়েছেন মাত্র।
উপজেলা প্রকৌশলী মো.আসিফ ইকবাল রাজীব জানান, নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম ফুলমতি ইন্দুর ঘাট এলাকায় বারোমাসিয়া নদীর ওপর ব্রিজের জন্য সকল রির্পোট পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পরিদর্শনও করেছে। আশাকরি সামনের অর্থ বছরে নতুন ব্রিজের বাজেট পাশ হবে।
ইত্তেফাক/এসি