ডাকাতির ঘটনায় মামলা না নিয়ে জিডি নিল পুলিশ

সংগীতশিল্পী জেমসের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন। ঢাকার বাইরে ব্যক্তিগত কাজ শেষে তিনি প্রাইভেটকার চালিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে মাওয়া-ঢাকা সড়ক ধরে বনানীর বাসায় ফিরছিলেন। সঙ্গে ছিলেন তার এক বন্ধু। রাত আড়াইটার দিকে পৌঁছান মাওয়া সড়কের তেঘুরিয়া এলাকায়। তার প্রাইভেটকারটি দ্রুতগতিতে চলছিল। এ সময় ডাকাতরা সড়কে তিন পায়াবিশিষ্ট লোহার পেরেক ছিটিয়ে রাখে। রবিনের প্রাইভেটকার ঘটনাস্থল অতিক্রম করার সময় সামনের চাকা ফুটো হয়ে যায়। আর এর কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানে উপস্থিত হয় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এসআই আবুল কালাম মুরাদের টহল গাড়ি। এ সময় এসআই মুরাদ ভুক্তভোগী রবিনের গাড়ির চাকায় গেঁথে যাওয়া লোহার পেরেক টেনে বের করেন। এর পরই তিনি ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। কিন্তু নির্জন সড়ক হওয়ায় রবিন ঐ এসআইকে অনুরোধ করেন কিছু সময় অপেক্ষা করার। কিন্তু তিনি কর্ণপাত করেননি।

রবিন বলেন, পুলিশের গাড়িটি ঘটনাস্থলে থেকে চলে যাওয়ার ১/২ মিনিটের মধ্যেই রামদা, ছুরিসহ হাজির হয় একদল ডাকাত। তাকে ও তার বন্ধুকে মারধর করে তারা চারটি দামি ফোন ও সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সা কেড়ে নেয়।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ডাকাতির পর পরই হাজির পুলিশের ঐ গাড়িটি। বিষয়টি অবহিত করলে এসআই মুরাদ এবারও কোনো ধরনের গুরুত্ব দেননি। তিনি ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। তিনি বলেন, পরে ট্রাকচালকদের সহায়তায় গাড়ির চাকা পরিবর্তন করেন। পরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় ডিউটি অফিসারকে বিস্তারিত অবহিত করেন। কিন্তু ডিউটি অফিসার ডাকাতি বা ছিনতাই মামলা না নিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করার পরামর্শ দেন। ঘটনা সম্পর্কে এসআই আবুল কালাম মুরাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। এ ব্যাপারে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি মো. শাহ জামাল বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।