মাসুম বিল্লাহ, আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা
আড়াইহাজারের মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক জোনের সম্ভাব্য জমিসহ ১০টি গ্রাম ভাঙনের মুখে পড়তে যাচ্ছে। প্রশাসনের চোখের সামনেই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কাজ চলমান থাকলেও এতে ভ্রুক্ষেপ নেই কারো। গতকাল শনিবার সরেজমিনে প্রমাণ পাওয়া যায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা সিন্ডিকেটের। জানা যায় সিন্ডিকেটটি স্থানীয় সন্ত্রাসীদের চাঁদার মাধ্যমে ম্যানেজ করে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে। এতে করে ভয়ে মুখ খুলতেও সাহস পাচ্ছে না গ্রামবাসী।
জানা যায়, মেঘনা থানার চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ ওরফে লতু চেয়ারম্যান দীর্ঘদিন ধরে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের চরলক্ষ্মীপুর ও কান্দাপাড়ার মাঝে মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে থাকেন। এতে কালাপাহাড়িয়া চরলক্ষ্মীপুর এলাকার প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক জোন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাছাড়া এখানকার আশ্রয় কেন্দ্রও হুমকির মুখে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সোহাগ হোসেন জানান, আড়াইহাজারে বালু উত্তোলনের কোনো ইজারা দেওয়া নেই। বালু উত্তোলনকারাীরা আসে মেঘনা থানা থেকে। খবর পেয়ে আমরা অভিযানের প্রস্তুতি নিতে নিতে তারা চলে যায়। তার পরও আমরা ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছি। বালু উত্তোলনকারী আব্দুল লতিফ অবশ্য দাবি করেন তিনি ইজারা নিয়ে মেঘনা থানা এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করেন। আড়াইহাজারের সীমানায় বালু উত্তোলনের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।