পঞ্চগড়ের বোদায় মডেলকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত বোদা উপজেলা যুব মহিলা লীগের সাময়িক বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক আবিদা সুলতানা ওরফে লাকী ও তার সহযোগী সাজ্জাদ হোসেন ওরফে মিলনকে রিমান্ড শেষে শনিবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বোদা থানার উপপরিদর্শক (তদন্ত) আবু সায়েম মিয়া রিমান্ড শেষে পঞ্চগড় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে আদালত তাদের জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেয়।
আবু সায়েম মিয়া জানান, রিমান্ডে গ্রেফতার ঐ নারী তার বাড়িতে অনৈতিক কাজের কথা স্বীকার করেছেন। ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার সত্যতা মিলেছে। ঘটনার সঙ্গে কারা কারা জড়িত ছিল তাদের কয়েকজনের নাম-ঠিকানা জানা গেছে। তাদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত আছে। সব আসামি শনাক্ত হলে দ্রুত আদালতে চার্জশিট দেওয়া হবে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব পরিচয়ের জের ধরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকার এক তরুণীকে মিউজিক ভিডিওর শুটিং করার জন্য গত ১৪ জুলাই সকালে বোদায় নিয়ে আসে বোদা পৌরসভার ঝিনুকপাড়া গ্রামের সাজ্জাদ হোসেন মিলন। পরে মিলন ঐ তরুণীকে লাকীর থানাপাড়াস্থ বাড়িতে রাখে। রাতে ঐ বাড়িতেই সাজ্জাদসহ চার-পাঁচ জন তাকে ধর্ষণ করে। পরদিন ১৫ জুলাই তাকে বোদা পৌরসভার ভাসাইনগর এলাকার এক বাড়িতে নিয়ে আবারও কয়েকজন তাকে ধর্ষণ করে।