সিরাজগঞ্জে দুই ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ভিজিডি ও টিআর প্রকল্প নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার মেছরা ইউনিয়ন পরিষদ এবং কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকার ঘোষিত ভিজিডি কর্মসূচির আওতায় মেছরা ইউনিয়নে ২৪২ জন উপকারভোগী দুস্থ ও বিধবা মহিলাকে নির্বাচন করা হয়। কিন্তু কার্ডধারীদের অনেকেই চাল পায়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভিজিডির এই চাল স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও কয়েকজন সদস্য আত্মসাত্ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে জানতে মেছরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ মাস্টারের মোবাইল ফোনে বার বার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি । 

কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ভদ্রঘাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। টিআর কর্মসূচির ১ম পর্যায়ের আওতায় কুটিরচর পাকা রাস্তা হতে ছোট পরিমলের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা মেরামত প্রকল্পের কাজ নিম্নমানের হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় বাসিন্দা ও ভদ্রঘাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মালেক খান জানান, এই প্রকল্পে ৯৫ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও কাজ করা হয়েছে ৪০ হাজার টাকার। বাকি টাকা ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক আত্মসাত্ করেছেন। তবে ভদ্রঘাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোজ্জাম্মেল হক এ অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করে বলেন, আমি কোনো প্রকল্পের অর্থ আত্মসাত্ করিনি। বরাদ্দের শতভাগ অর্থ প্রকল্পগুলোতে ব্যয় করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সাইদুল হক জানান, প্রকল্পের কাজ নিম্নমানের হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।