চট্টগ্রামে গ্যাসের প্রিপেইড মিটারের আওতায় আসবে আরো ১ লাখ গ্রাহক

প্রথম পর্যায়ে সুফল পাওয়ার পর চট্টগ্রামে আবাসিক খাতে গ্যাসের প্রিপেইড মিটার বসানোর জন্য দ্বিতীয় প্রকল্প গ্রহণ করেছে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। আরো ১ লাখ আবাসিক গ্রাহককে মিটারের আওতায় আনা হবে। প্রায় ২৪৩ কোটি টাকা ব্যয়সাপেক্ষ প্রকল্পটি কোম্পানির নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে। বর্তমানে প্রকল্পটি জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

চট্টগ্রামে আবাসিকে গ্যাসের প্রায় ৬ লাখ গ্রাহক রয়েছে। তার মধ্যে প্রথম প্রকল্পে ৬০ হাজার আবাসিককে প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, প্রিপেইড মিটার ব্যবহারের কারণে মাসে প্রায় ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা রাজস্ব আয় কম হচ্ছে। তবে প্রায় ৩০ শতাংশ গ্যাস সাশ্রয় হচ্ছে। ফলে প্রিপেইড মিটার প্রক্রিয়ায় গ্রাহকের প্রচুর অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে। এতে প্রিপেইড মিটারের প্রতি গ্রাহকরা ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছেন। কারণ, প্রিপেইডে গ্যাস ব্যবহারে গ্রাহকদের ৩০০-৪০০ টাকায় এক মাস চলে যাচ্ছে। অথচ মিটারবিহীন গ্রাহকদের প্রতি মাসে ৯০০ থেকে ৯৭৫ টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে। কর্ণফুলী গ্যাস কোম্পানি সূত্র জানায়, বর্তমান  প্রকল্পের মেয়াদ তিন বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্যাসের মূল্যের পাশাপাশি গ্রাহককে ১০০ টাকা হারে মিটার খরচ পরিশোধ করতে হবে।

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার (মার্কেটিং) প্রকৌশলী আ ন ম সালেহ ইত্তেফাককে বলেন, প্রিপেইড মিটারে গ্যাসের যেমন সাশ্রয় হচ্ছে তেমনি গ্রাহকদেরও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে। সাশ্রয়কৃত গ্যাস আমরা অন্য খাতে ব্যবহার করতে পারব। পর্যায়ক্রমে আবাসিকের সব গ্রাহককে প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনা হবে। চট্টগ্রামে গ্রাহকদের এলএনজি গ্যাস সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। এলএনজি গ্যাস অত্যন্ত ব্যয়বহুল। তাই গ্যাসের সাশ্রয় প্রয়োজন।