ড্রেজিং এর মাটি ফেলে নদীর পাড়ে ২/৩ কিমি জায়গা flood plain হিসেবে রাখা হবে। যাতে বর্ষার অতিরিক্ত পানি আসলেও এই flood plain জায়গা ধরে রাখতে পারে এবং আগামীতে গ্রামাঞ্চল যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। এজন্য এই ধরনের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এগুলো বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। বাঙালি, করতোয়াসহ ২৭২ কি.মি. নদী ড্রেজিংকল্পে নতুন প্রকল্প নিয়েছি। পর্যায়ক্রমে সকল বড় নদীকে আমরা ড্রেজিং করবো। ড্রেজিং করে জমি পুনরুদ্ধার করে তা কৃষিকাজে ব্যবহার করা হবে। বসতির জন্য না।
আজ ২৬ জুলাই রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে দেয়া এক সাক্ষাতকারে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক,এমপি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বছরে প্রায় ২ বিলিয়ন পলি মাটি আমাদের দেশে আসে। এ কারণে ড্রেজিং করা সত্ত্বেও নদী ভরাট হয়ে যায়। তাই বর্ষায় প্রচুর পরিমাণে যখন পানি আসে তখন তলদেশ ভরাট থাকায় তা উপচে গ্রামাঞ্চল ভাসিয়ে নেয়। এজন্য ৬৪ জেলায় খনন প্রকল্প নিয়ে ৩২৪ টি নদী-খাল খনন করছি। সেজন্য পানির ধারণ ক্ষমতা আগের চেয়ে বেড়েছে। তবে বন্যা মোকাবেলায় আরো বাড়াতে হবে।
উপকূলাঞ্চল নিয়ে তিনি জানান, উপকূলাঞ্চলসহ সকল এলাকার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সুপার সাইক্লোন আম্পান আঘাতের আগেই আমি উপকূলাঞ্চল পরিদর্শন করেছি এবং উপকূলাঞ্চলের জন্য প্রায় সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নিয়েছি। প্রকল্পগুলো সম্পন্ন হলে আমরা এর সুফলের বিষয়ে আশাবাদী।
ইত্তেফাক/এসআই