করোনা সনদ জালিয়াতির মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী ওরফে সাবরিনা শারমিন হুসাইন ও তার স্বামীর আরিফুল হক চৌধুরীর অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তিতুমীর কলেজের একজন শিক্ষকসহ বেশ কয়েকজনের সাক্ষ্য নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রবিবার অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও দুদকের উপ-পরিচালক সেলিনা আক্তার মনি তাদের সাক্ষ্য নেন। দুদকের এই কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, তিতুমীর কলেজে নমুনা সংগ্রহের বুথ বসিয়েছিল জোবেদা খাতুন সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা ( (জেকেজি)। তারা সেখানে কি কি কাজ করেছে, কোন অনিয়ম করেছে কিনা একজন অধ্যাপকসহ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এসব বিষয়ে জানার চেষ্টা চলছে।
আরো পড়ুন : সাভারে মৃত গরুর মাংস বিক্রির চেষ্টা, চারজনের কারাদণ্ড
এর আগে দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা ডা. সাবরিনা ও তার স্বামী আরিফ, জেকেজি এবং ওভাল গ্রুপের সকল ব্যাংক হিসাব জব্দ ও লেনদেন তলব করেন। এছাড়া তাদের আয়কর নথি তলব করেছে দুদক। প্রতিষ্ঠানটি ১৫ হাজার ৪৬০ জনকে মনগড়া করোনা সনদ দিয়ে ৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়াসহ ডা. সাবরিনা ও আরিফের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধান করছে দুদক।
উল্লেখ্য, করোনা পরীক্ষার সনদ জালিয়াতির অভিযোগে গত ২৩ জুন জেকেজির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল হক চৌধুরীসহ প্রতিষ্ঠানটির ৬ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ব্যাপারে মামলা হওয়ার পর ২৪ জুন করোনার নমুনা সংগ্রহে জেকেজির অনুমতি বাতিল করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। পুলিশি তদন্তে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান বা সমন্বয়ক হিসেবে করোনা সনদ জালিয়াতিতে ডা. সাবরিনার নাম আসে। এরপর গত ১২ জুলাই তাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয়।
ইত্তেফাক/ইউবি