বিপাকে ইজারাদার, ক্রেতা-বিক্রেতা
সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা
সিংগাইর উপজেলা প্রশাসন ইজারা দেওয়া পশুর হাট বন্ধ করে দিয়েছে। এতে করে বিপাকে পড়েছে ইজারাদার ও ক্রেতা-বিক্রেতারা। সর্বোচ্চ দরদাতা হয়ে সরকারি কোষাগারে টাকা পরিশোধ করার পরও জামির্ত্তা ইউনিয়নের চররাজনগর পশুর হাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জামির্ত্তা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম রাজুর দরখাস্তের ভিত্তিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে হাটটির স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ইজারাদার আজম মাহমুদ বলেন, ‘হাট ইজারা পাওয়ার পর ৬৩ হাজার ৭৫০ টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করি। ১২ জুলাই হাটের দখল বুঝিয়ে দেওয়া হলে ২০ জুলাই নিচু জায়গায় মাটি ফেলে বাঁশের খুঁটি পোঁতাসহ ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে হাটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহের নিগার সুলতানা হাট পরিদর্শন করে যাতায়াতের সুবিধার জন্য বিকল্প একটি রাস্তা বের করার নির্দেশ দিলে সে অনুযায়ী রাস্তাও করা হয়। এ অবস্থায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে হাট স্থগিত করার নোটিশ দেওয়া হয়। হঠাত্ করে হাট বন্ধ করে দেওয়ায় হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতারা বিপাকে পড়েন। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাটটি আবার চালু করতে গত ২১ জুলাই জেলা প্রশাসক বরাবর আপিল করি। কিন্তু এখনো কোনো ফল পাইনি।’
জামির্ত্তা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম রাজু বলেন, আগে যারা হাট ইজারা নিতেন তারা কখনো এখানে পশুর হাট বসায়নি। করোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য এখানে কাঁচাবাজার বসানো হয়েছে। তবে জায়গাটি খুবই ছোট। এছাড়া এখানে মসজিদ, মাদ্রাসা রয়েছে। যদি পশুর হাট বসানো হয় করোনার ঝুঁকি দেখা দেবে। তাই এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে দরখাস্ত দিয়েছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনা লায়লা সাংবাদিকদের বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে সংকীর্ণ জায়গায় স্বাস্থ্যবিধি মানা সম্ভব হবে না বলেই হাটটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।