শিগগিরই স্বাস্থ্যখাতে দৃশ্যমান পরিবর্তনের ব্যাপারে আশাবাদী নতুন ডিজি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নবনিযুক্ত মহাপরিচালক (ডিজি) ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেছেন, আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই স্বাস্থ্য খাতে দৃশ্যমান কিছু পরিবর্তন দেখা যাবে। আমি আশাবাদী। করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগী ও বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের সুচিকিত্সা নিশ্চিত করাই এ মুহূর্তে বড় চ্যালেঞ্জ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিত সহযোগিতা ও প্রচেষ্টায় এ দুইটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব। তিনি এসব ব্যাপারে গণমাধ্যমকর্মীদেরও সহযোগিতা কামনা করেন।

মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্বগ্রহণের তৃতীয় দিন গতকাল সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে অনলাইন প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, মহাপরিচালক হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার পর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেননি এজন্য যে অধিদপ্তরের কার্যক্রম সম্পর্কে তার সম্যক ধারণা ছিল না। অনুমানভিত্তিক কথা বললে তা নিয়ে সমালোচনা হতো। নতুন স্বাস্থ্য মহাপরিচালক বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে এ কাজের ভার দিয়েছেন। মন্ত্রণালয়, আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য সচিবসহ সবাই সহযোগিতা করছেন। আমি যেন প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বস্ততার জায়গাটা অটুট রাখতে পারি, সেজন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাব।

‘দুর্নীতির দায় দেশের প্রতিটি মানুষের’ বলে নিজের মন্তব্যের ব্যাপারে এক প্রশ্নের জবাবে ডা. খুরশীদ আলম বলেন, প্রতিটি ব্যক্তি দেশের দুর্নীতির মাপকাঠি। শুধু আইনকানুন দিয়ে এটি নির্মূল করা যাবে না। ব্যক্তি সত্ হলে দুর্নীতি হ্রাস পাবে। তিনি জানান, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তার বাবা গত ৬ জুন মারা গেছেন। তার মা ও ভাই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। বৈশ্বিক এ মহামারি মোকাবিলায় সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তিনি এ ভাইরাস মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবেন।

প্রসঙ্গত, ব্যাপক সমালোচনার মুখে অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ পদত্যাগ করলে গত ২৩ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদে নিয়োগ পান ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।