শুধু সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য নয়, একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে বিশেষ উদ্দেশ্যে কমিউনিটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই ব্যাংক হবে অন্যদের চেয়ে আলাদা ও স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। ইনোভেটিভ ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেশের জনগণের আর্থিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ব্যাংকটি। তাই ব্যাংকটি শুধু পুলিশ সদস্যদের জন্য নয়, জনগণের কল্যাণে, জনগণের জন্য কাজ করবে; যেন দেশের জনগণ এটিকে তাদের নিজেদের ব্যাংক মনে করে। গতকাল মঙ্গলবার পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ড. বেনজীর আহমেদ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ব্যাংকটির গুলশান, ধানমন্ডি, চকবাজার ও উত্তরা শাখার উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রে বিশ্বে মডেল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আমরা চাই ব্যাংকিং জগতেও দেশে-বিদেশে কমিউনিটি ব্যাংক সেরা হবে। ব্যাংকটির সেবা, কাস্টমারদের প্রতি আচরণ, টেকনোলজি হবে আন্তর্জাতিক মানের, যাতে গ্রাহকের আস্থা অর্জন করতে পারে। আমাদের লক্ষ্য হলো, ‘সেরাদের মধ্যে সেরা হওয়া’। আমরা খুব দ্রুত সারাদেশে বিস্তৃত হতে চাই।”
ব্যাংক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের গতানুগতিক ব্যাংকিংয়ের বাইরে গিয়ে ইনোভেটিভ ব্যাংকিং নিয়ে আসতে হবে। ব্যাংকিং জগতে আপনারা লিড করবেন, যেন অন্যরা আপনাদের অনুসরণ করে।’
তিনি বলেন, চলমান করোনায় চিকিত্সক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশের মতো ব্যাংকাররাও ফ্রন্টলাইনার। তিনি কোভিডে আক্রান্ত হয়ে যারা মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদের আত্মার শান্তি এবং যারা অসুস্থ আছেন তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। পরে আইজিপি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও অন্য কর্মকর্তাদের নিয়ে কেক কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে চারটি শাখা উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজি ড. মো. মইনুর রহমান চৌধুরী, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মসিউল হক চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রেলওয়ের রেঞ্জের অতিরিক্ত আইজি মো. এহসিন হোসেন, র্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, ডিআইজি (ফিন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) আবু হাসান মুহম্মদ তারিক, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত ডিআইজি (ডেভেলপমেন্ট) ড. শোয়েব রিয়াজ আলম, স্বতন্ত্র পরিচালক কাজী মশিউর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।