কোরবানির পশুর হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। গতকাল মঙ্গলবার ভাটারা সাইদ নগরে স্থাপিত অস্থায়ী পশুর হাট পরিদর্শনকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মেয়র বলেন, ‘আপনারা জানেন ডিএনসিসিতে প্রতিবছর ১০-১১টি হাট বসে থাকে। এবার কোভিড মোকাবিলার জন্য আমরা চেষ্টা করেছি ঢাকা শহরের বাইরে কিছু জায়গায় হাট বসানোর জন্য। বর্তমানে একটি স্থায়ী হাট গাবতলীতে এবং পাঁচটি অস্থায়ী হাট শহরের বাইরের দিকে খোলামেলা জায়গায় বসানো হয়েছে। হাট ইজারা দিয়ে ডিএনসিসি গতবার ২১ কোটি টাকা পেয়েছিল। কিন্তু করোনার কারণে এবার অনেক কম টাকা পেয়েছি।’
আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘হাট পরিদর্শনের জন্য ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের নিয়ে মনিটরিং টিম করা হয়েছে। তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে কিনা তা মনিটরিং করছেন। ইজারাদাররাও মাস্ক নিয়ে এসেছেন, যাতে কেউ মাস্ক ছাড়া আসলে তাদেরকে দিতে পারেন। বারবার মাইকে স্বাস্থ্যবিধির কথা বলা হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে কি না তা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিটি হাটে একটি করে মোবাইল কোর্ট দিয়েছি।’
কোরবানির স্থান প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, ‘বছিলায় ২ হাজার কোরবানির পশু কোরবানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডিএনসিসি থেকে ২৫৬টি স্থানে কোরবানি দেওয়ার জন্য জায়গা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। আমি সবাইকে অনুরোধ করবো, এই সব স্থানে কোরবানি দিন। মহামারি ও কোরবানি মাথায় রেখে নিজ নিজ দায়িত্বে শহর পরিষ্কার রাখুন।’