দোহার ও মানিকগঞ্জে বন্যাদুর্গত অসহায় পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেছে সেনাবাহিনী। এছাড়াও সেনাবাহিনী লক্ষ্মীছড়িতে করোনায় কর্মহীনদের মধ্যে খাদ্যসহায়তা অব্যাহত রেখেছে। প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর—
মানিকগঞ্জ : সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশনের পৃষ্ঠপোষকতা ও ৭১ মেকানাইজড ব্রিগেডের ব্যবস্থাপনায় গতকাল বুধবার মানিকগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার বন্যাদুগর্ত অসহায় পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। মানিকগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার দীঘি ইউনিয়ন এবং পল্লী বিদ্যুত্ সমিতিসংলগ্ন এলাকায় প্রায় পাঁচ শতাধিক বন্যার্ত পরিবারের মধ্যে ১৫ ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের তত্ত্বাবধানে এ ত্রাণ বিতরণ করা হয়। সাভার সেনানিবাসের ১৫ ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ওয়াদুদ উল্লাহ চৌধুরী ত্রাণ বিতরণের উদ্বোধন করেন। ত্রাণসহায়তার মধ্যে ছিল চাল, ডাল, তেল, লবণ, চিনি এবং সাবানসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী।
দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা) : দোহারে ত্রাণসামগ্রী নিয়ে বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে সেনাবাহিনী। গতকাল সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশনের ব্যবস্থাপনায় মুকসুদপুর ইউনিয়নের বন্যাকবলিত প্রায় ৫০টি পরিবারের মধ্যে ত্রাণসহায়তা দেওয়া হয়। পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দোহার উপজেলার আটটি ইউনিয়ন চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। এর মধ্যে মুকসুদপুর ইউনিয়নের অসংখ্য পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। সেনা কর্মকর্তা মেজর রাশাদ বিন কালাম বলেন, বন্যার কারণে যেসব পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছে, তাদের সহায়তা করার জন্য সারা দেশের ন্যায় দোহারের ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
লক্ষ্মীছড়ি সংবাদদাতা : করোনা মহামারিতে কর্মহীন হয়ে পরা দুর্গম পাহাড়ে হতদরিদ্র মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছে সেনাবাহিনী। ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও চট্টগ্রাম এরিয়ার সার্বিক তত্ত্বাবধানে গতকাল গুইমারা রিজিয়নের আওতাধীন লক্ষ্মীছড়ি জোনের মগাইছড়ি, ময়ূরখীল ও গুচ্ছগ্রাম এলাকায় অসহায় পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল, চিনি, লবণ, তেল, সুজি এবং সাবানসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন লক্ষ্মীছড়ি জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, পিএসসি। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে মেজর আমির উল এহসান ও ক্যাপ্টেন আব্দুল্লাহ আর রিফাহ উপস্থিত ছিলেন।