মানব পাচার কমিয়ে আনতে সম্মিলিত উদ্যোগ দরকার

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপারসন নাসিমা বেগম বলেছেন, মানব পাচার মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। সরকারের স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ সরকারি-বেসরকারি সংস্থার কার্যকর উদ্যোগই পারে মানব পাচার কমিয়ে আনতে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই মানব পাচারের মতো ঘৃণ্য অপরাধ কমিয়ে আনা সম্ভব। আন্তর্জাতিক মানব পাচারবিরোধী দিবস  (৩০ ?জুলাই) উপলক্ষ্যে গতকাল বুধবার অনলাইনে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশন (এসডিসি)-এর সহযোগিতায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম এবং উইনরক ইন্টারন্যাশনালের আশ্বাস প্রকল্প যৌথভাবে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

নাসিমা বেগম বিদেশ গমনেচ্ছুদের প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিয়ে বলেন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মানুষ সহজে পাচারের শিকার হয় না। তিনি পাচারের শিকারদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও গুরুত্ব দিতে বলেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মানব পাচারবিষয়ক জাতীয় কমিটির দায়িত্বে থাকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রাণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবু বকর সিদ্দিক বলেন, মানবপাচারের সবচেয়ে বড় কারণ দেশে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকা। কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেকেই পাচারকারীদের কবলে পড়তেন না। এনজিও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হেদায়েতুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোজাফফর আহমেদ, ইনসিডিনের পরিচালক এ কে এম মাসুদ আলী, জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার কান্ট্রি ডিরেক্টর তরিকুল ইসলাম, ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান, উইনরক ইন্টারন্যাশনাল এর দীপ্ত রক্ষিত, অধ্যাপক ইশরাত শামীম, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক কামাল চৌধুরী, এসডিসির নাদিম রহমান প্রমুখ।