সেই কানমলা খালে কাঠের সেতু

সেই কানমলা খালে কাঠের সেতু হয়েছে। গত বুধবার এটি চালু হয়। রিকশাভ্যান, অটোবাইক, মোটরসাইকেলসহ হালকা যান এখন পারাপার হচ্ছে। ঝাওয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জানান, খালে এখন বুক পানি। স্রোতের টানও রয়েছে। তবু টানা চারদিন কাজ করে বাঁশ ও সিমেন্টের খুঁটির ওপর কাঠের পুরু তক্তা বিছিয়ে সেতুটি বানানো হয়। স্থানীয় এমপি ছোট মনির সার্বিক সহযোগিতায় অস্থায়ীভাবে চলাচল, পারাপার ও যাতায়াতের জন্য দ্রুত সেতুটি নির্মাণ করা হয়। এমপি ছোট মনির জানান, কানমলা খালের মলাকান সেতু চার বছর আগে বন্যায় ধসে পড়ে। গোপালপুরের ঝাওয়াইল এবং সরিষাবাড়ীর পিংনা ইউনিয়নের সঙ্গে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে গুরুত্বপূূর্ণ সেতুটি খুব তাড়াতাড়ি নির্মিত হবে বলে তিনি আশা করছেন। আপাতত বন্যায় জরুরি যাতায়াত এবং ত্রাণসামগ্রী বিতরণের জন্য কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। গোপালপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ জানান, বন্যা-পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় এ অর্থবছরেই কানমলা খালে মলাকান সেতু হবে। গত ৩ জুলাই দৈনিক ইত্তেফাকে ‘কানমলা খালের মলাকান সেতুর কেচ্ছা’ শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়।