দেশে পাঁচ দিনে করোনা ভাইরাসে মারা গেছেন ১৫১ জন। আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ১৩১ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৯০০ জন। ৩১ জুলাই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ২ হাজার ৭৭২, মৃত্যু ২৮ ও সুস্থ ২ হাজা ১৭৬ জন, ১ আগস্ট আক্রান্ত ২ হাজার ১৯৯, মৃত্যু ২১ ও সুস্থ ১ হাজার ১১৭ জন, ২ আগস্ট আক্রান্ত ৮৮৬, মৃত্যু ২২ ও সুস্থ ৮৬ জন, ৩ আগস্ট আক্রান্ত ১ হাজার ৩৫৬, মৃত্যু ৩০ ও সুস্থ ১ হাজার ৬৬ জন, ৪ আগস্ট আক্রান্ত ১ হাজার ৯১৮, মৃত্যু ৫০ ও সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৯৫৫ জন। এরমধ্যে নমুনা পরীক্ষা করা ৩১ জুলাই ১২ হাজার ৬১৪, ১ আগস্ট ৮ হাজার ৮০২, ২ আগস্ট ৩ হাজার ৬৮৪, ৩ আগস্ট ৪ হাজার ২৪৯ ও ৪ আগস্ট ৭ হাজার ৭১২ জনের। সরকারিভাবে করোনা পরীক্ষার জন্য ফি নির্ধারণ, দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যা, টেস্ট করতে ভোগান্তি, টেস্টের রিপোর্ট পেতে দেরিসহ নানা কারণে দেশে করোনার পরীক্ষা কমেছে, কমেছে শনাক্ত। সাধারণত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার দুই সপ্তাহের ভেতরে লক্ষণ-উপসর্গ প্রকাশ পায়। আর ঈদের সময়ে ঢাকা থেকে মানুষের গ্রামে যাওয়া, স্বাস্থ্যবিধি না মেনে পশুর হাটে যাওয়া, স্বাস্থ্যবিধি না মেনে কোরবানিও দিয়েছে মানুষ। যার কারণে মধ্য আগস্টে করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ, তার দুই মাসের মাথায় দেশের ৬৪ জেলায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এর হিসাব থেকে দেখা যায়, শুরু থেকেই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেশি ছিল রাজধানী ঢাকাতে, তবে ধীরে ধীরে সেটা ছড়িয়ে পড়েছে পুরো দেশে। তবে মূলত গত ২৫ মে ঈদুল ফিতরের পর ঢাকা থেকে ঢাকার বাইরে সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। তারা বলছেন, গত ঈদের মতো এবারে যানবাহনে তেমন নিয়ন্ত্রণ চোখে পড়েনি। যার কারণে এবারেও তার ব্যতিক্রম হবে না, মধ্য আগস্টের মাঝামাঝিতে গিয়ে করোনার রোগীর আরেকটা লাফ দেখা যাবে দেশে।