সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার দুই নম্বর আসামি টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ দাশের ভাই সদীপ কুমার দাশ বর্তমানে সিএমপির ডবলমুরিং থানার ওসি। সদীপ কুমার দাশও সম্প্রতি নগরীতে এক স্কুলছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় বিতর্কিত হয়ে পড়েছেন।
পুলিশের অভিযানের পর সালমান ইসলাম মারুফ নামে ঐ স্কুলছাত্রের বাসা থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, সালমান আত্মহত্যা করেছেন। এই ঘটনায় গঠিত সিএমপির তদন্ত কমিটি প্রধান অভিযুক্ত ডবলমুরিং থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হেলাল খানের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে। একই সঙ্গে ডবলমুরিং থানার ওসি সদীপ কুমার দাশের দায়িত্বে অবহেলা ও গাফিলতির প্রমাণও উঠে এসেছে তদন্তে। এ কারণে এসআই হেলাল এবং ওসি সদীপ কুমার দাশের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। পরবর্তী সময়ে এসআই হেলালকে বরখাস্ত করা হয়। এছাড়া এসআই হেলাল খান ও পুলিশের দুই সোর্সের বিরুদ্ধে গত ২৭ জুলাই মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের আদালতে নারী নির্যাতন ও পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু আইনে মামলা করেছেন নিহত সালমান ইসলাম মারুফের মা রুবিনা আক্তার।