চট্টগ্রামে স্কুলছাত্র মো. রাসেল (১৩) হত্যা মামলায় তার বন্ধু ইলেকট্রিক মিস্ত্রি হাসানুল করিম হাসানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে খুনের বর্ণনা দিয়েছে হাসান।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (বায়েজিদ জোন) পরিত্রাণ তালুকদার জানান, স্কুলছাত্র রাসেল হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন হয়েছে। হত্যার সঙ্গে জড়িত হাসানকে গ্রেফতারের পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে খুনের রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছে হাসান।
খুলশী থানার ওসি প্রণব চৌধুরী জানান, স্কুলছাত্র রাসেল ও ইলেকট্রিক মিস্ত্রি হাসান দুই জনই পূর্বপরিচিত। একই সঙ্গে চলাফেরা করত এলাকায়। তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়ার পর ক্ষোভ থেকে রাসেলকে খুন করার সিদ্ধান্ত নেয় হাসান। খুন করার আগে যেমন রাসেলকে বুঝতে দেয়নি ঠিক তেমনি খুনের পর পুলিশকেও বুঝতে দেয়নি। হত্যার পর তিন দিন রাসেলের মরদেহ খুঁজে পায়নি পরিবার। যখন খুঁজে পায় তখন সবার সঙ্গে হাসানও ছিল। কিন্তু বুঝার কোনো উপায় ছিল না হাসানই রাসেলের খুুনি।’ ওসি প্রণব বলেন, ৩১ জুলাই হাসান রাসেলকে নিয়ে নিউ মার্কেট এলাকা থেকে একটি স্টিলের ছুরি কিনে। সন্ধ্যায় হাসেম করপোরেশনের পাহাড়ে নিয়ে যায় ৪ হাজার টাকা লুকিয়ে রেখেছে এমনটা জানিয়ে। সেখানে রাসেলকে একটি প্যাকেট দেখিয়ে তুলতে বলে হাসান। রাসেল প্যাকেটটি তুলতে গেলে হাসান তাকে ছুরিকাঘাত করে সেখানে ফেলে রেখে চলে আসে। হত্যার পর হাসান পাহাড় থেকে চলে আসার পথে রাহাত নামে একজনকে ঘটনার বিষয়ে বলে।’