সোমেশ্বরী নদীর ভাঙনে দুর্গাপুর পৌর এলাকার বেশ কয়েকটি স্থান নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ধসে পড়েছে বিপুলসংখ্যক বাড়িঘর এবং গাছপালা। স্থানীয় লোকজন নিজেদের বাড়িঘর রক্ষার জন্য বাঁশ দিয়ে ভাঙন রোধে কাজ করছেন। জানা গেছে, গত কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে সোমেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধি পায় এবং প্রবল স্রোতে ডাকুমারা, শীবগঞ্জ বাজার, পৌর এলাকার উকিল পাড়া এলাকার বাড়িঘর এবং গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়। প্রায় শতাধিক ঘর বিলীন হবার কারণে লোকজন অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। দুর্গাপুর পৌরসভার মেয়র হাজি আব্দুস সালাম বলেন, সোমেশ্বরীর ভাঙনের কারণে পৌর এলাকার অনেক জায়গা ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে ভাঙন রোধের জন্য চিঠি প্রদান করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জান্নাতুল ফেরদৌস ঝুমা বলেন, জরুরি ভিত্তিতে দুর্গাপুরকে ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে একসময় অর্ধেক এলাকা সোমেশ্বরীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। নেত্রকোনা জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আক্তরুজ্জামান বলেন, প্রমত্তা সোমেশ্বরী নদীর ভাঙন রোধ করা কঠিন। বেশ কয়েকবার শিবগঞ্জ বাজার এলাকায় বাঁধ দেওয়া হলেও পাহাড়ি নদীর প্রবল স্রোতে তা আবার ভেঙে যাচ্ছে। তবে দুর্গাপুরকে ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা করতে হলে বড় ধরনের প্রকল্প নিতে হবে। এজন্য প্রকল্প তৈরি করা হচ্ছে।