আয়ুর্বেদিক ও কবিরাজি চিকিত্সায় কালোজিরার ব্যবহার অনেক। একে বলা হয়ে থাকে, সর্বরোগের মহৌষধ। কালোজিরার তেলে আছে নাইজেলোন, থাইমোকুইনোন, মিক্সড অয়েল, ফ্যাটি অ্যাসিড, লিনোলেইক অ্যাসিড, ওলেইক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন, ভিটামিন-সি, ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বোহাইড্রেট ছাড়াও জীবাণুনাশক বিভিন্ন উপাদানসমূহ। এতে রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হরমোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক অ্যানজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক। তবে এই পুষ্টিকর খাদ্য উপাদান থেকে উত্পাদিত তেল খোলা বাজারে যা পাওয়া যায় তা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশিই ক্ষতিকর। শুনে অবাক হচ্ছেন? চলতি পথে কিংবা খোলা বাজারে নামে বেনামে যে কালোজিরার তেল পাওয়া যায় তা না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, খোলা বাজারে পাওয়া কালোজিরার তেলের অধিকাংশই ভেজাল হতে পারে। আবার ওই তেল খেলে পেটের
পীড়াসহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। এজন্য সঠিক গুণগত মানের কালোজিরার তেলই কিনতে হবে। অবশ্য বাজারে এখন কালোজিরা তেলের এন্টেরিক কোটেড সফট জিলাটিন ক্যাপসুলও পাওয়া যায়। আলিকসির নামের এই ক্যাপসুলটি বাজারে নিয়ে এসেছে পূর্ণাভা লিমিডেট। পূর্ণাভা লিমিডেটের গবেষক ও উদ্ভাবক রিনাত রিজভী এই ক্যাপসুল সম্পর্কে বলেন, ‘আলিকসির শতভাগ বিশুদ্ধ কোল্ড প্রেসড প্রাকৃতিক কালোজিরা তেলের পরিপূর্ণ নিশ্চয়তা। এই ক্যাপসুল সেবনে কালোজিরা তেলের সকল উপকারিতা তো মিলবেই। এর পাশাপাশি এটি এন্টেরিক কোটেড হওয়ায় কালোজিরা তেল সেবনে মানুষের সবচেয়ে বড় যে সমস্যা বুক জ্বালাপোড়া করা, পেটের পীড়া—তা একেবারেই হবে না। ফলে যে কোনো মানুষ নিশ্চিন্তে এটি সেবন করে উপকার পেতে পারেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘এই ক্যাপসুল শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টরল কমিয়ে আনে এবং একই সঙ্গে উপকারী কোলেস্টরলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে শরীরে চর্বির মাত্রা অত্যন্ত চমত্কারভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখে। শরীরের অতিরিক্ত রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। লোহিত রক্তকণিকার মাত্রা বাড়িয়ে শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করে। থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা নামিয়ে এনে হাইপার থাইরয়েডিজমে উপকার করে। এছাড়া পুরুষের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।’