সরকারি নির্দেশনা সত্ত্বেও সৈয়দপুর-রংপুর ও সৈয়দপুর-দিনাজপুর রুটে বাস-মিনিবাসে যাত্রী পরিবহনে সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না। এতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের শঙ্কা বাড়ছে। করোনা ভাইরাসের কারণে প্রায় দুই মাস গণপরিবহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। গত ১ জুন থেকে সীমিত পরিসরে বাস-মিনিবাস চলাচলের অনুমতি দেয় সরকার। তখন সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাস-মিনিবাস চলাচল করতে সরকারি নির্দেশনা জারি করা হয়। প্রথমদিকে কিছুটা হলেও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহনে যাত্রী পরিবহন করা হলেও বর্তমানে তা আর মানা হচ্ছে না। সরেজমিনে দেখা গেছে, বাস-মিনিবাসগুলোতে সামাজিক দূরত্ব কিংবা স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বালাই নেই। ঠিক আগের মতো বাস-মিনিবাসগুলোতে প্রতিটি আসনে যাত্রী নেওয়া হচ্ছে। বাস-মিনিবাসগুলোর আসন সংখ্যার বাইরেও দাঁড়িয়ে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। কিন্তু যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে দ্বিগুণ। এদিকে যাত্রীদের অধিকাংশের মুখে নেই কোনো মাস্ক। বাসের হেলপার সুপারভাইজারের থুতনিতে মাস্ক ঝুলতে দেখা গেছে। এ সময় সুপারভাইজারের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, আমরা বাসের নির্দিষ্ট আসনের অর্ধেক যাত্রী পরিবহন করতে চাই। কিন্তু যাত্রীরা তা মানতে চান না। তারা অফিস আছে, হাসপাতালে রোগী আছে, রোগীর খুব গুরুতর অবস্থা— এরকম নানা অজুহাতে অনেকটাই জোরজবরদস্তি করে বাসে উঠে পড়েন।
নীলফামারী জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা বলেন, আমরা বাস-মিনিবাস চালক ও সহকারীদের নির্দেশ দিয়েছি আসনের অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের।