তাইওয়ানের সঙ্গে জোরালো সম্পর্ক চায় যুক্তরাষ্ট্র

চীনের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই গতকাল তাইওয়ান সফরে গেলেন মার্কিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী অ্যালেক্স আজার। বিগত চার দশকের মধ্যে এই প্রথম কোনো মার্কিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সেখানে সফরে গেলেন। সফরকালে তিনি তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েনের সঙ্গে সাক্ষাত্ করেন। এ সময় তিনি তাইওয়ানের প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জোরালো সমর্থনের কথা ব্যক্ত করেন। এদিকে চীন এ সফরকে ‘শান্তি ও স্থিতিশীলতার’ জন্য হুমকিস্বরূপ উল্লেখ করে এর বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের হুমকি দিয়েছে।

সফরকালে মার্কিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তাইওয়ান যেভাবে এই করোনা মহামারির সময় সবকিছু সামলে নেওয়ার চেষ্টা করছে তার জন্য তিনি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতি এখন দিনের পর দিন আরো ভয়াবহ রূপে দেখা দিচ্ছে। তাই এই মুহূর্তে সবাইকে এ ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন ও সাহসিকতার সঙ্গে এর মোকাবিলা করতে হবে। ১৯৭৯ সালে বেইজিংয়ের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকায় তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর সেই সম্পর্ক ভালো হতে থাকে। এ কারণেই ডোনাল্ড ট্রাম্প তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। সম্পর্কের নতুন দিক উন্মোচিত হয় যখন তাইওয়ান যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অস্ত্র কিনতে চায়।

সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আলাপ-আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে। কিন্তু চূড়ান্ত কিছু হতে হলে তা কংগ্রেসে অনুমোদিত হয়ে আসতে হবে। কেননা কংগ্রেস অনুমতি না দিলে যুক্তরাষ্ট্র ঐ অস্ত্র রপ্তানি করতে পারবে না।