ছয় আইনপ্রণেতাসহ ১১ মার্কিনির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে চীন। গতকাল সোমবার হংকং ইস্যুতে তাদের আচরণ ভালো নয় উল্লেখ করে চীনের পক্ষ থেকে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এর আগে শুক্রবার হংকংয়ের প্রধান নির্বাহীসহ ১০ চীনা ও হংকং কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে হংকং নিরাপত্তা আইনে মিডিয়া মোগল জিমি লাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে। খবর সিএনএন ও বিবিসির।
নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়া মার্কিন আইনপ্রণেতারা হলেন সিনেটর মার্কো রুবিও (ফ্লোরিডা), টেড ক্রুজ (টেক্সাস), টম কটন (আরকানসাস), জোশ হাউলি (মিসৌরি), প্যাট টুমি (পেনসিলভানিয়া) এবং কংগ্রেসম্যান ক্রিস স্মিথ (নিউ জার্সি)। এছাড়া হিউম্যান রাইটস ওয়াচের নির্বাহী পরিচালক কেনেথ রোথ, ন্যাশনাল অ্যানডাউমেন্ট ফর ডেমোক্র্যাসির প্রেসিডেন্ট কার্ল গার্সম্যান, ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট ডেরেক মিচেল, ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল টুইনিং এবং ফ্রিডম হাউজের প্রেসিডেন্ট মাইকেল আব্রামাওয়িতজও নিষেধাজ্ঞার তালিকায় আছেন।
চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান গতকাল বলেন, শুক্রবার চীনের কর্মকর্তাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ। এটা আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নীতির গুরুতর লঙ্ঘন। রুবিও এক টুইট বার্তায় বলেন, গত মাসে চীন আমাকে নিষিদ্ধ করেছিল, আর আজ নিষেধাজ্ঞা দিল। আমি ভাবছি না এ নিয়ে। তবে আমাকে যে তারা পছন্দ করে না সেটাই মনে করছি। মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় চীনের কমিউনিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জোশ হাউলি। হংকং চীনের নতুন নিষেধাজ্ঞার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।
হংকংয়ের মিডিয়া মোগল গ্রেফতার
পুলিশ অন্যতম শীর্ষ ধনী এবং বেশ জনপ্রিয় সংবাদপত্রের মালিক জিমি লাইকে গ্রেফতার করেছে। তার সংবাদপত্র অফিস থেকে গ্রেফতার করা হয়। হংকংয়ে বিতর্কিত যে নতুন নিরাপত্তা আইন জারি করা হয়েছে, সেই আইনে গ্রেফতার হওয়া মানুষদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি তিনি। তার বিরুদ্ধে বিদেশি শক্তির সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থিদের আন্দোলনের একজন সোচ্চার সমর্থক। ৭১ বছর বয়সি লাইয়ের একই সঙ্গে যুক্তরাজ্যেরও নাগরিকত্ব আছে।