সারিয়াকান্দির হার্ডপয়েন্টে উপচে পড়া ভিড়

সারিয়াকান্দির যমুনা তীরে গ্রোয়েন-হার্ডপয়েন্টে বেড়াতে আসা লোকের ভিড় বাড়লেও করোনা পরিস্থিতিতে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব। আবার নৌভ্রমণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে নৌকায় উঠলেও তদারকি নেই প্রশাসনের। প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় গাদাগাদি করে নৌকায় উঠে উত্তাল যমুনায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করছে অনন্দভ্রমণ করছে আগতরা। মানা হচ্ছে না জলযান বিধি। এসব নৌকায় নেই কোনো লাইফ জ্যাকেট। জানা যায়, গত বছর একই সময়ে সারিয়াকান্দির গ্রোয়েনে ভ্রমণে এসে যমুনায় নৌকা ডুবে মারা যায় বগুড়া শাহিন স্কুলের নবম শ্রেণির একজন ছাত্র। পরের দিন রাজশাহী ফায়ার ব্রিগেডের ডুবুরি দল এসে লাশ উদ্ধার করে। দুই বছর আগে ভ্রমণে এসে গ্রোয়েনের অদূরে যমুনায় নৌকা ডুবে মারা যায় দুই জন। পরে ডুবরি দল নিখোঁজ লাশ উদ্ধার করে।  এ ব্যাপারে সারিয়াকান্দি ফায়ার স্টেশনের সহকারী  স্টেশন অফিসার মোজাম্মেল হক বলেন, প্রতি বছর এই সময় ভিড়ে যমুনায় দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। কিন্তু আমাদের নেই প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। নেই উদ্ধার যান, ডুবুরি দল। রাজশাহী থেকে ডুবুরি এনে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করতে হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এস এম মাহমুদুর রশিদ বলেন, নদীপাড়ে এভাবে সমাবেশ স্বাস্থ্যবিধির চরম লঙ্ঘন। ঐ পয়েন্টে জনসমাবেশ নিষিদ্ধ করা উচিত। সারিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল আমিন বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া হলে নৌকার মাঝিদের সতর্ক করা হয়, যাতে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই না করে। আর বিশাল জনসমাবেশ রোধে পুলিশ হুইসেল বাজিয়ে যথাসাধ্য চেষ্টা করে থাকে। মানা হচ্ছে না