সিলেটের বিভিন্ন রুটে যানবাহনে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না

করোনাকালে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা ও যানবাহনের জন্য নির্দেশনাগুলো মানা হচ্ছে না। সিলেটের বিভিন্ন রুটে যানবাহনগুলোর নিয়ম মানা তো দূরের কথা, বরং অতিরিক্ত ভাড়াও আদায় করছে। আবার প্রতি সিটে এমনকি দাঁড়িয়ে যাত্রী তুলছে। প্রতিবাদ করলে চালক ও হেলপাররা দুর্ব্যবহার করে। প্রতিবাদকারীকে পথে নামিয়ে দেয়।

এদিকে অরাজক পরিস্থিতি থেকে নিষ্কৃতি চেয়ে জকিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিজন কুমার সিংহ বরাবরে ‘মানব সেবা ফাউন্ডেশনের ’ নেতৃবৃন্দ স্মারক লিপি দিয়েছেন রবিবার। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের অন্যতম সদস্য তানভির আল হাসান, শাহীন চৌধুরী, তামজিদুল ইসলাম। তারা স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, পরিবহন শ্রমিকরা জকিগঞ্জ উপজেলায় দ্বিগুণ বাড়া আদায় করছে। বাস্তবে সামাজিক দূরত্বের বিষয়টি উধাও। সিলেট-জকিগঞ্জ রোডের  বেশ কয়েকটি বাসে শতভাগ যাত্রীই শুধু নয়, বাদুড়ঝোলা যাত্রীদের যাতায়াতের ছবিও ভাইরাল হয়েছে| সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ছে সিলেট-জকিগঞ্জ, বিয়ানীবাজার-বড়লেখা সড়কে। অফিস আদালত, দোকানপাট শত ভাগ খোলার কারণে  বাসে যাত্রীদের বাড়তি ভিড়।

সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান ইত্তেফাককে জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী গাড়ি চালাতে হবে। অতিরিক্ত যাত্রী ওঠানোসহ বাড়তি ভাড়া আদায় করার সুযোগ নেই। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মফিজ উদ্দন আহমেদ বলেন, সড়কের বিভিন্ন জায়গায় চেকপোস্ট বসিয়ে সরকারের নির্দেশ মোতাবেক স্বাস্থ্যবিধি মেনে গাড়ি চালাচ্ছে কি না, সে ব্যাপারের জেলা পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  

তালিকা না থাকায় ভাড়ায় নৈরাজ্য

নিরাপদ সড়ক ও রেলপথ সংগঠনের সভাপতি বাবর লস্কর বলেন,  বাসে সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না। মালিক  শ্রমিকরা করোনাকে ভাড়া বাড়ানোর কৌশল হিসেবে ব্যবহার করেছে| সামাজিক দূরত্ব মানা  হয় না।  সিলেট জকিগঞ্জ সড়কের পরিবহন শ্রমিক সভাপতি আব্দুল মুহিদ বলেন, আমরা শ্রমিকদের বারবার বলে দিয়েছি—অতিরিক্ত যাত্রী ও নিয়মের বাইরে ভাড়া আদায় না করার জন্য। কিন্তু কিছু চালক গুরুত্ব দিচ্ছে না।