এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি

হিসাববিজ্ঞান

প্রিয় শিক্ষার্থীরা শুভেচ্ছা নিও। আজ তোমাদের হিসাববিজ্ঞান প্রথমপত্রের হিসাববিজ্ঞান পরিচিতি অধ্যায়ের বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি নিয়ে আলোচনা করবো। ঘরে বসে এগুলো চর্চা করো। আমরা তোমাদের সাথেই আছি।

উত্পাদন ব্যয় হিসাববিজ্ঞানের হিসাব পদ্ধতি হচ্ছে - দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতি।

উত্পাদন ব্যয় হিসাববিজ্ঞানের নিয়ন্ত্রক - ব্যয় হিসাবরক্ষক।

ব্যবস্থাপনীয় হিসাব বিজ্ঞানের নিয়ন্ত্রক - উর্ধ্বতন ব্যবস্থাপক।

‘The Institute Cost of Works Accountants’গঠিত হয় - ১৯১৯ সালে।

‘National Association of Cost Accountants’ গঠিত হয় - ১৯১৯ সালে ইংল্যান্ডে।

ব্যয় সংক্রান্ত হিসাব সংরক্ষণ করে না - ব্যবস্থাপনীয় হিসাববিজ্ঞান।

সব মেয়াদউত্তীর্ন ব্যয় যা আয় হতে বাদযোগ্য তাকে বলে - খরচ।

কোন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের দ্রব্য এবং সেবা অর্জনের জন্য যে ব্যয় হয় তার যে অংশটি নি:শেষ হয়ে যায় অথচ তার বিনিময়ে কোন সুবিধা পাওয়া যায় না তাকে বলা হয় - খরচ।

পণ্য পরিমাপের একককে বলা হয় - উত্পাদন ব্যয় একক।

যে সকল উপাদান ব্যয়কে প্রভাবিত করে তাদেরকে বলে - ব্যয় চলক।

উত্পাদিত দ্রব্যসামগ্রীর বিক্রয় ও বিতরণের জন্য যে ব্যয় করা হয় তাকে - বিক্রয় ও বণ্টন খরচ বলে।

উত্পাদন ব্যয় হিসাবে প্রস্তুত করা হয় - ২ টি পদ্ধতিতে ক. আমেরিকান পদ্ধতি  খ. ব্রিটিশ পদ্ধতি।

যে সব শ্রমিক কর্মচারী উত্পাদনের সাথে সরাসরি জড়িত নয় তাদেরকে বলা হয় - পরোক্ষ শ্রম।

উত্পাদন ব্যয়ের সাথে অন্তর্ভূক্ত হয় না - কালীন ব্যয়।

নির্দিষ্টকালের মধ্যে সংঘটিত ব্যয়কে বলে - কালীন ব্যয়।

চলতি হিসাবকালে যেসব ব্যয়ের সুবিধা ভোগ বা নি:শেষ করা হয়েছে, সেই ব্যয়কে বলে - রাজস্ব ব্যয়। যেমন -বেতন,ভাড়া,বীমা,বিদ্যুত্,গ্যাস বিল, পানি বিল প্রভৃতি।

যেসব ব্যয়ের সুবিধা ভবিষ্যতে পাওয়া যাবে, সেই ব্যয়কে বলে - মূলধন ব্যয়। যেমন দালানকোঠা, জমিজমা,মেশিন ক্রয়,যন্ত্রপাতি ক্রয়,গাড়ি ক্রয় প্রভৃতি।

অতীতে সংঘটিত হয়েছে এরূপ ব্যয়কে বলে - প্রকৃত ব্যয়।

বিজ্ঞানসম্মতভাবে ভবিষ্যতের জন্য যে ব্যয় নির্ধারণ করা হয় তাকে বলে - প্রমাণ ব্যয়।

সকল প্রকার প্রকৃত ব্যয়কে বলে - স্পষ্ট ব্যয়।

প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ব্যয়ের দু’টি উদাহরণ - সম্পত্তি কর, মেশিনের অবচয়।

দু’টি বিকল্পের মোট ব্যয়ের পার্থক্যকে বলে - পার্থক্যমূলক ব্যয়।

অতীতে ব্যয় করা হয়েছে এমন ব্যয়কে বলে - নিমজ্জিত বা ডুবন্ত ব্যয়।

কোন সিদ্ধান্তের জন্য যদি কোন ব্যয় সংঘটিত হয় তাকে বলে - চলতি ব্যয়।