বন্যার পানির প্রবল চাপে ব্রিজের গাইড ওয়াল ও মূল সড়কের মাটিসহ ইট-পাথরের সলিং ধসে পড়ে ওয়ার্শি-বালিয়া-ধামরাই রোডের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ব্রিজের পাশে ও মূল সড়ক ধসে নিচে পড়ে বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে ব্রিজটির মাটি ধসে সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুর ও নাগরপুর উপজেলা পার্শ্ববর্তী ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলা এবং মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার হাজার হাজার লোকজন দুর্ভোগে পড়েছেন। শুক্রবার ঘটনাস্থল ঘুরে দেখা গেছে সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ থাকায় মানুষের দুর্ভোগের চিত্র। রোয়াইল গ্রামের বাসিন্দা ও সিট মামুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মি. গোপাল চন্দ্র পোদ্দারসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বন্যার পানির প্রবল চাপে রোয়াইল ব্রিজের দক্ষিণ পাশের গাইড ওয়াল ও সড়কের মাটিসহ ইট সলিং ধসে পড়েছে। মির্জাপুর উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্শি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মাহবুব আলম মল্লিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ওয়ার্শি-বালিয়া-ধামরাই রোডের কাজ হয়েছে নিম্নমানের। ফলে সামান্য বৃষ্টি ও বন্যার পানিতে সড়কের বিভিন্ন অংশের ইট-সলিং উঠে গেছে এবং সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রোয়াইল ব্রিজের গাইড ওয়াল ও মাটিসহ সলিং ধসে পড়েছে। ব্রিজের দ্রুত মেরামতসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি জোর দাবি জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগ টাঙ্গাইলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেন, বন্যার পানির প্রবল চাপে ওয়ার্শি-বালিয়া-ধামরাই রোডের বিভিন্ন অংশে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া বৃহস্পতিবার রোয়াইল এলাকায় একটি ব্রিজের এক অংশ ধসে পড়েছে। রাস্তাটি সংস্কার এবং ধসে পড়া ব্রিজের দ্রুত মেরামত করা হবে।