তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘এতদিন ধরে ১৫ আগস্টে বেগম জিয়ার ভুয়া জন্মদিন পালনের জন্য জাতির কাছে বিএনপির ক্ষমা চাওয়া উচিত। আর সেই ভুয়া জন্মদিন না পালনের ঘোষণা দিয়ে বাহবা নেওয়ার চেষ্টাও অপরাধ।’ গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে ‘জাতির পিতার হত্যাকাণ্ড: ষড়যন্ত্র দেশে-বিদেশে’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘১৫ আগস্ট, যেদিন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়, হঠাত্ বেগম জিয়া সেদিন জন্মগ্রহণ করেছেন ঘোষণা দিয়ে তো হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করা হলো, হত্যাকারীদের উত্সাহিত করা হলো এবং এটি সেই নির্মম হত্যাকাণ্ডকে উপহাস করার শামিল। তাই আমি বিএনপিকে অনুরোধ জানাবো, তারা যে হঠাত্ করে ১৫ আগস্টকে বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন সেটি যে মিথ্যা-বানোয়াট ছিল, সেটির জন্য জাতির কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করতে, তাহলে জাতি তাদের ক্ষমা করলেও করতে পারে।’
জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলমের সভাপতিত্বে জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, আব্দুল জলিল ভুঁইয়া, ওমর ফারুক, জাতীয় প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক শাহেদ চৌধুরী, মাইনুল আলম সেমিনারে বক্তব্য রাখেন। সভাপতির বক্তৃতায় সাইফুল আলম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পেছনে যারা ছিল এবং যারা আগে ও পরে এ হত্যাকে সমর্থন করেছে, তাদের মুখোশ উন্মোচন করে বিচারের আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।’ জাতীয় প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ শ্যামল দত্ত মূল প্রবন্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড ও এর পূর্বাপর ষড়যন্ত্রের পটভূমি বর্ণনা করেন।