বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে রাজপথে না নামার লজ্জা কখনই মোচন হবে না --------------দুদক চেয়ারম্যান

বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে রাজপথে না নামার লজ্জা কখনই মোচন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘জাতির পিতার খুনিরা ১৫ আগস্ট জাতির ললাটে কলঙ্কের তিলক এঁকে দিয়েছে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে এ কলঙ্কের তিলক বয়ে বেড়াতে হবে। এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করে আমি বা আমরা রাজপথে নেমে আসি নাই—এটাই আমাদের লজ্জা। খুনিদের বিচার করে লজ্জার আংশিক মোচন হতে পারে, কিন্তু পরিপূর্ণ মোচন কখনই হতে পারে না।’ গতকাল শনিবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি কমিশনের পক্ষ থেকে ১৫ আগস্টে সব শহিদের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। ১৪ আগস্ট আরামবাগের এক আত্মীয়ের বাসায় ছিলাম। পরদিন নতুন জামা পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাব শতাব্দীর মহানায়ক জাতির পিতাকে দ্বিতীয় বারের মতো দেখতে। হূদয়ের গভীরে ছিল এক চরম উত্তেজনা। কিন্তু ঘাতকদের নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড জাতির পিতাকে দ্বিতীয় বার দেখার সৌভাগ্য আর আমার জীবনে ঘটেনি। তাই আমি বলব, জাতির পিতাকে রক্ষা করতে না পারা এবং হত্যার পরে প্রতিবাদে রাজপথে নেমে না আসতে পারার লজ্জা আমাদের চিরদিন বহন করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বারবার দুর্নীতির বিরুদ্ধে দীপ্ত উচ্চারণ করেছেন। তার বক্তৃতায় বারবার উঠে এসেছে ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে দীপ্ত শপথ।’

দুদকের প্রশাসন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. জহির রায়হানের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন দুদক কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান, কমিশনার এ এফ এম আমিনুল ইসলাম, দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখ্ত, মহাপরিচালক আবদুন নূর মুহম্মদ আল ফিরোজ, মো. রেজানুর রহমান, পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন মহাপরিচালক সাঈদ মাহবুব খান, এ কে এম সোহেল, মো. জাকির হোসেন প্রমুখ। মোনাজাত পরিচালনা করেন দুদক মহাপরিচালক (লিগ্যাল) মো. মফিজুর রহমান ভূঞা।