মোহাম্মদ নাসিম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অপপ্রচার

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সাবেক মুখপাত্র ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রয়াত মোহাম্মদ নাসিম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটি মহল অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহিদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর সুযোগ্য পুত্র মোহাম্মদ নাসিম স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের কোনোভাবেই ম্যানেজ করতে পারেননি স্বাস্থ্যের বিতর্কিত ঠিকাদার মোতাজজেরুল ইসলাম ওরফে মিঠু। মোহাম্মদ নাসিমের সঙ্গে দেখা করা তো দূরের কথা ফোনেও কখনো মিঠু যোগাযোগ করতে পারেননি। তত্কালীন মন্ত্রীর সঙ্গে সখ্য গড়তে ব্যর্থ হয়ে একশ্রেণির আমলাদের সহযোগিতায় স্বাস্থ্যে লুটপাট করেন মিঠু। অথচ একটি মহল মোহাম্মদ নাসিম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মিথ্যাচার করছে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারের হত্যার পর থেকে তথাকথিত যে ‘টিপিক্যাল’ রাজনীতি, সেই রাজনীতিতে সব সময় রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, কুত্সা এবং পরিকল্পিত মিথ্যাচার হয়েছে। যার অন্যতম ভিকটিম হলেন মোহাম্মদ নাসিম। মন্ত্রী-এমপি-দলের নেতা হিসেবে মোহাম্মদ নাসিম অনেক যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছেন, অনেক ভালো কাজ করেছেন। তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে সময় পার করেছেন কিন্তু আদর্শে সব সময় হিমালয়ের মতো অটল। মোহাম্মদ নাসিমের রাজনীতি, মানুষের সঙ্গে তার মেশা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষে তার দৃঢ় অবস্থান, তার অসাম্প্রদায়িক চেতনা ইত্যাদিকে আড়াল করার প্রাণান্ত চেষ্টা হয়েছে তাকে অন্যভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে। আর গত ১৩ জুন প্রয়াত হওয়ার পর মোহাম্মদ নাসিম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অন্য রকম মুখরোচক দুর্নীতির গল্পও সাজানো হচ্ছে। মোহাম্মদ নাসিম পরিবারের পক্ষ থেকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।

এম মনসুর আলী যেমন ছিলেন বঙ্গবন্ধুর প্রশ্নে আপসহীন, তেমনি মোহাম্মদ নাসিম ছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার প্রশ্নে আপসহীন। বার বার অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি। মাঠের রাজনীতিতে সাহসী ভূমিকা রেখে গেছেন মোহাম্মদ নাসিম। বাবার মতো তিনিও দেশের রাজনীতিতে একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র। ১৯৮৬ সালে প্রথম সিরাজগঞ্জ-১ আসনে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মোহাম্মদ নাসিম। ওই একই আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে ছয়বার জাতীয় সংসদে আসেন তিনি।