বঙ্গবন্ধুর খুনিকে শিগিগরই ফেরত পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র ------------ রাষ্ট্রদূত জিয়াউদ্দিন

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত খুনিরা যুক্তরাষ্ট্রসহ বিদেশের মাটিতে লুকিয়ে আছে। আমরা আশ্বস্ত হয়েছি যে-গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসনে চ্যাম্পিয়ন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধুর খুনিকে শিগিগরই বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে। শনিবার ওয়াশিংটনস্থ জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রদূত ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ডকে মানবসভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, ঘাতকচক্র বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে স্বাধীনতার  চেতনা এবং উদ্দেশ্য ‘স্বাধীন গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ’কে ধ্বংস করতে চেয়েছিল।

দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ কালো ব্যাচ ধারণ করে স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এবং ১৫ আগস্টে নিহত তার পরিবারের অন্য সদস্যদের পতি গভীর শ্রদ্ধা এবং তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। দূতবাসে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে অর্ধনমিত করার মধ্য দিয়ে শোক দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে দূতাবাস প্রাঙ্গণে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ মূর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং মহান নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করা হয়। দিবসের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় নেতৃবৃন্দের বাণী পাঠ, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন এবং ১৫ আগস্টে নিহত শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। দূতাবাসের ডিফেন্স অ্যাটাশে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম মঈনুল হাসান, কাউন্সেলর (পলিটিক্যাল) দেওয়ান আলী আশরাফ, মিনিস্টার (ইকোনমিক) মেহেদী হাসান এবং মিনিস্টার (কনস্যুলার) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান যথাক্রমে বাণীগুলো পাঠ করেন। প্রথম সচিব ও চ্যান্সারি প্রধান  মাহমুদুল ইসলাম দিবসের কার্যক্রম পরিচালনা করেন।