কুয়েতে আটক লক্ষ্মীপুর-২ স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের অর্থপাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দেশটির আরো দুই নাগরিকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। তাদের এক জন হলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অ্যাসিসটেন্ট আন্ডারসেক্রেটারির কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। আর অপরজন হলেন, মন্ত্রণালয়ের আরেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার ছেলে। কুয়েতের সংবাদমাধ্যম আরব টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আল রাই ডেইলিকে উদ্ধৃত করে আরব টাইমসের ঐ খবরে বলা হয়েছে, ঐ দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এরই মধ্যে অর্থপাচারে সংশ্লিষ্টতার বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে ফিনান্সিয়াল ইনভেস্টিগেশন ইউনিট। পাবলিক প্রসিকিউশন কার্যালয়ে এটি জমা দেওয়া হয়েছে। এখন ঐ দুই ব্যক্তির সঙ্গে একই ধরনের অন্য মামলাগুলোর সংযোগ খতিয়ে দেখছে প্রসিকিউশন। সূত্রের বরাত দিয়ে আরব টাইমস বলছে, এখন প্রত্যেকটি ভিন্ন ভিন্ন মামলাকে আলাদাভাবে তদন্ত করছে প্রসিকিউশন। পাপুল বা ফুয়াদ নেটওয়ার্কের অন্য মামলাগুলোর সঙ্গে এ দুই জনের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে দেখা হচ্ছে। তবে নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করে রাখার অনুরোধ জানাবে প্রসিকিউশন। উল্লেখ্য, গত ৬ জুন মানবপাচার, ভিসা জালিয়াতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে এমপি পাপুলকে গ্রেফতার করে কুয়েতের সিআইডি। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন যে, এই কাজে তাকে কুয়েতের প্রভাবশালী সরকারি কর্মকর্তারা সহায়তা করেছেন ঘুষ, উপহার ও অন্যান্য সুযোগের বিনিময়ে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্তকালে কুয়েতের সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন এমপি ও প্রভাবশালী কর্মকর্তার নাম বেরিয়ে এসেছে। এদের মধ্যে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।