বেড়ার হাট-বাজারগুলো এখন স্বাভাবিক অবস্থার মতোই ভিড়। স্বাস্থ্যবিধি না মানায় এমনিতেই এসব স্থান সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা বেশি। এরই মধ্যে সেখানকার খোলা শরবত ও খাবারের দোকানগুলো তৈরি করেছে মারাত্মক ঝুঁকি। সেখানে ক্ষতিকর উপাদানে বানানো শরবত একই গ্লাসে পান করছেন অনেকজন। সরেজমিনে উপজেলার করমজা, কাশিনাথপুর, নাকালিয়াসহ কয়েকটি হাট ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি হাটেই আট থেকে ১০টি করে ভ্রাম্যমাণ শরবত ও খাবারের দোকান বসছে। হাটে আসা লোকজন এসব দোকানে শরবত বা খাবারের জন্য ভিড় করছেন। শরবত ও খাবার বিক্রেতাদের কারো মুখেই মাস্ক দেখা যায়নি। প্রচণ্ড ভিড়ের কারণে এসব বিক্রেতা গ্লাস ও থালা ভালোভাবে না ধুয়ে তাতে করেই শরবত ও খাবার পরিবেশন করছেন। যাদেরকে পরিবেশন করা হচ্ছিল তাদেরও মুখেও মাস্ক নেই। হাটুরে ও শরবত বিক্রেতারা জানান, গরমের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় হাটে গিয়েই লোকজন শরবতে আকৃষ্ট হচ্ছে। হাটে বিক্রি হচ্ছে লেবু ও আখের দুই ধরনের শরবত। অপরদিকে সম্প্রতি বেড়া পৌরসভার পোর্ট এলাকায় দেখা গেছে, সেখানে বেড়াতে আসা মানুষের কারণে সৃষ্টি হয়েছে প্রচণ্ড ভিড়। সেখানে অন্তত ১০টি শরবতের ভ্রাম্যমাণ দোকান রয়েছে। এসব দোকানে ভালোমতো না ধুয়ে একই গ্লাসে অনেককে শরবত পরিবেশন করতে দেখা যায়। শরবত বিক্রেতা আব্দুস সাত্তার ও রুবেল মিয়া জানান, করোনার জন্য শরবত বিক্রেতারা বেশ কিছুদিন দোকান বন্ধ রেখেছিলেন। কিন্তু কোরবানির ঈদের সময় থেকে আবারও শরবত বিক্রি শুরু হয়েছে।
বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিত্সা কর্মকর্তা (আরএমও) মো. জাহিদ হাসান সিদ্দিকী বলেন, খোলা শরবত ও খাবারের দোকানগুলো করোনা এবং ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগ ছড়ানোর মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে।