মো. রাকিবুল ইসলাম রুবেল কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ৩৮তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়েছেন তিন মেধাবী। তিন জনের মধ্যে কৃষি ক্যাটাগরিতে একজন, পুলিশ ক্যাটাগরিতে একজন ও আরেকজন কারিগরি ক্যাটাগরিতে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তিনজনের একজন মো. নুরুল ইসলাম। বাবা শহিদুল ইসলাম কৃষক ও মা মিনা বেগম গৃহিনী। কৃষি কাজ করে সংসার চালানোর পাশাপাশি দুই সন্তানের লেখাপড়ার খরচ চালাতে অনেকটাই হিমশিম খেতে হয় তার বাবাকে। জামতৈল ধোপাকান্দি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০০৯ সালে এসএসসি পরীক্ষা ও উল্লাপাড়া বিজ্ঞান কলেজ থেকে ২০১১ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে বিজ্ঞান বিভাগে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং কৃষি অনুষদের কৃষি বিভাগ থেকে ২০১৬ সালে অনার্স ও একই অনুষদের কীটতত্ব বিভাগ থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। মাস্টার্স পাশ করার পর ৩৮তম বিবিএসে কৃষি ক্যাটাগরিতে পরীক্ষা দিয়ে সেখানেও কৃতিত্বের সাথে উর্ত্তীণ হন নুরুল ইসলাম। নুরুল ইসলামের পাশের গ্রাম পেস্তককুড়া। সেই গ্রামের তরুণ ইব্রাহিম খলিল সৌরভ। বাবা আব্দুল খালেক সরকার বে-সামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের যোগাযোগ প্রকৌশলী পদে কর্মরত মা নাজনীন সুলতানা গৃহিনী। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তি হয়ে ২০১৭ সালে বিএসসি (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং) ডিগ্রি অর্জন করেন। বিএসসি পাশ করেই পেট্রোবাংলা গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানীর (টিটিসিএল) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে সহকারি প্রকৌশলী পদে যোগদান করেন তিনি। কর্মরত অবস্থায় ৩৮তম বিসিএসে কারিগরি ক্যাটাগরির গণপূর্ত বিভাগে পরীক্ষা দিয়ে সেখানেও কৃতিত্বে সাথে উত্তীর্ণ হন সৌরভ। উপজেলার নান্দিনামধু গ্রামের সৌমিক হাসান। বাবা মোস্তাফিজুর রহমান অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব ও মা ফরিদা খান গৃহিনী। লেখাপড়ার সুযোগ হয় রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে। পরবর্তী সময়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট থেকে ফাইন্যান্স বিভাগে ২০০৮ সালে প্রথম শ্রেণি পেয়ে অনার্স ও সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১১ সালে প্রথম শ্রেণি পেয়ে মাস্টার্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারি পরিচালক পদে কর্মরত রয়েছেন সৌমিক। ব্যাংকে কর্মরত অবস্থায় ৩৮তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাটাগরিতে পরীক্ষা দিয়ে সেখানেও কৃতিত্বের সাথে উর্ত্তীর্ণ হন তিনি।