বেনজির আবরার
মিতাশার ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা পাঁচ বছরের বেশী। প্রতিষ্ঠান হিসেবেও মিতাশার হিজাব শপ অনলাইন স্টোরকে চেনে তার গ্রাহকেরা। সমপ্রতি স্বামীর ব্যবসাও অনেকাংশে হ্রাস পায় এবং বিভিন্ন অনলাইন ব্যবসা নিয়ে আলোচনার জন্য অনেক সময় পায় দুজন। এরপরের গল্পটা কিন্তু দারুণ!
মিতাশা বলেন, তখন থেকেই আমরা নতুন এই খাবারের উদ্যোগ গ্রহণ করার পরিকল্পনা শুরু করি। আমাদের মূল পরিকল্পনাটি হচ্ছে মানুষকে অর্গানিক এবং সর্বোত্তম খাবার পরিবেশন করা। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে শতভাগ কোয়ালিটি বজায় রেখে খাবার পরিবেশন করা। আমাদের এই উদ্যোগটি শুরু করেছিলাম রোজার আগে। সেসময় যেহেতু সবাই গৃহবন্দি অবস্থায় ছিল এবং অনলাইন মার্কেটের দিকে সবার নজর ছিল—সেই কাস্টমার ডিমান্ডের কথা মাথায় রেখেই আমরা খেজুর দিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু করি। আমাদের এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে মদিনা থেকে প্রথম খেজুর আমদানি করি। তার নিজস্ব বাগানের খেজুর। যা ছিল একেবারে ফ্রেস এবং অর্গানিক পদ্ধতিতে চাষ করা। যে কারণে সেই খেজুর বিক্রয়ের মাধ্যমে আমাদের নতুন উদ্যোগটি সবার কাছে বেশ সাড়া পায়। মাত্র দুই সপ্তাহে আমাদের ভালো মানের প্রোডাক্ট এবং সার্ভিসের কারণে আমাদের উদ্যোগটি সবার কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এবং মাত্র তিন সপ্তাহের ও আমরা প্রায় ৬০০ কেজি বিভিন্ন ধরনের খেজুর বিক্রি করি। দেশীয় এবং নিজস্ব পণ্য নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা আমাদের আগে থেকেই ছিল। ঠিক তখনই, উইমেন অ্যান্ড কমার্স গ্রুপের সদস্য হই। এবং সুন্দরবনের মধু, সিরাজগঞ্জের ঘি, সরিষার তেল, নাটোরের সন্দেশ, দিনাজপুরের পাপড়, কুমিল্লার বিখ্যাত রসমালাই, ছানামুখী, পেরা সন্দেশ নিয়ে আমাদের কাজ শুরু হয়। ফেসবুকে ‘ফ্রেশ অ্যান্ড হেলদি’ নামে পেজ সার্চ করলেই পাবেন আমাদের। মিতাশা বলেন, ই-কমার্স ব্যবসার
আমার স্বামী নূরে আলম সরকার (সোহেল) আর আমি মিলে একটা বিষয় নিশ্চিত করতে কাজ করছি যাতে আমাদের মাধ্যমে দেশের এই দুর্যোগেও আমরা মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করতে পারি।
মিতাশা আর সোহেল আরো একটা কাজ করেছেন। তারা গ্রাহকের কাছে সঠিক সময়ে পণ্য পৌঁছাতে ‘আমাদের এক্সপ্রেস’ নামের একটি ডেলিভারি কোম্পানি করেছেন, যেখান থেকে নানা ধরনের উদ্যোক্তাদেরও পণ্যের ডেলিভারি করছেন তারা।