পশ্চিমের জেলাগুলোতে ওল এখন বাণিজ্যিক ফসল

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি

পশ্চিমের জেলাগুলোতে ওল এখন বাণিজ্যিক ফসল। এক সময় বন-জঙ্গলে ওল জন্মাতো। গ্রামের নিম্নআয়ের মানুষ সবজি হিসাবে ওল খেতো। গলা চুলকাতো বলে মানুষ খেতে ভয় পেতো। বলা হতো বুনো ওল। সময় বদলেছে। ওল দামি সবজিতে পরিণত হয়েছে, বিক্রিও হচ্ছে চড়া দামে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর আঞ্চলিক অফিস সূত্রে জানা গেছে, যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলায় ব্যাপক হারে ওলের চাষ হয়েছে। যশোর এলাকায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উন্নত জাতের ওলের চাষ শুরু হয়। এই ওলে গলা চুলকায় না। আলুর মতো করে লোকে ওল খাচ্ছে। লাভজনক হওয়ায় ওলের চাষ বাড়ছে, বাজারেও বেড়েছে চাহিদা।   ঝিনাইদহের হাবিবপুর গ্রামের চাষি করম আলি জানান, এবার পাঁচ কাঠা জমিতে ওল চাষ করেছেন। ২৫০টি গাছ আছে। প্রতিটা ওল ৫ থেকে ৮ কেজি পর্যন্ত ওজন হচ্ছে। খুচরা প্রতি কেজি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। একই গ্রামের চাষি নিখিল জোয়ার্দ্দার জানান, তার খেতে একেকটা ওল ১০ কেজি ওজন হচ্ছে। পাইকারি ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন।  যশোর সদর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের চাষি আব্দুল হামিদ জানান, ১৫-২০ বছর আগ থেকে তাদের এলাকায় হাইব্রিড জাতের ওল চাষ শুরু হয়েছে। এর চাষ লাভজনকও।